ভাইরাল খবর
২০২৬ বিধানসভা আগে সংগঠনে রদবদল তৃণমূলে, নিষ্ক্রিয়দের জন্য কড়া বার্তা
ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election) সামনে রেখে সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে কোমর বেঁধে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। রাজ্য ক্ষমতায় ফেরা লক্ষ্য করে এবার শুধুমাত্র জনসভা কিংবা প্রচারে নয়, সংগঠনের ভিত মজবুত করাতেই বিশেষ নজর দিয়েছে শাসক দল।
এই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে জেলা ভিত্তিক পারফরম্যান্স (Performance) মূল্যায়ন এবং নেতৃত্বের রদবদলের (Restructuring) প্রক্রিয়া। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) একাধিক সাংগঠনিক জেলার (Organisational District) নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে ব্যস্ত। তাঁর স্পষ্ট বার্তা—দলে থাকার জন্য কাজ করতে হবে, কেবল পদ আঁকড়ে রাখলেই চলবে না।
২১ জুলাইয়ের (21 July) সভা থেকেই অভিষেক জানিয়ে দিয়েছিলেন, কর্মক্ষমতা (Work Performance) হবে একমাত্র মানদণ্ড। সেই অনুযায়ী দলের প্রত্যেক জেলার জন্য পৃথক রিপোর্ট কার্ড (Report Card) তৈরি হয়েছে। কে কতটা সক্রিয় (Active), কোথায় কাজ থেমে রয়েছে, কোথায় দলের ফল খারাপ হয়েছে—সব তথ্য বিশ্লেষণ করে তা জমা পড়েছে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাতে।
বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election) দুর্বল পারফরম্যান্স দেখানো অঞ্চলগুলোর ওপর। সেখানে সংগঠন পুনর্গঠন (Reorganisation) ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের (Responsibility Redistribution) রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে। উৎসবের মরশুম শেষ হলেই শুরু হবে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।
সূত্রের খবর, এক মাসের মধ্যেই নতুন নেতৃত্বের তালিকা প্রকাশ পেতে পারে। কারা থাকবেন দলে, আর কারা পড়বেন ছাঁটাইয়ের তালিকায়, তা চূড়ান্ত হবে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
তৃণমূলের অন্দরের বক্তব্য, এখন নামমাত্র পদধারী হয়ে থাকা চলবে না। বুথে (Booth) উপস্থিতি, ময়দানে কাজ, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ—সবই বিচার্য।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসমর্থনের (Mass Support) উপর ভরসা রাখলেও, অভিষেক চাইছেন শক্তিশালী, কার্যকর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ (Disciplined) সংগঠন। তাই একদিকে জনমতের ভিত শক্ত করা, অন্যদিকে দলীয় কাঠামোকে দৃঢ় করা—দু’দিকেই সমান জোর দিচ্ছে তৃণমূল শিবির। ২০২৬ সালের নির্বাচনে (Election 2026) ভালো ফলাফলের জন্য এই প্রস্তুতিই এখন মূল কৌশল।
