মসজিদ শিলান্যাস–ঘিরে তীব্র সমালোচনা, হুমায়ুনের দলবদলের ইতিহাস ফের কেন্দ্রবিন্দুতে
Connect with us

রাজনীতি

মসজিদ শিলান্যাস–ঘিরে তীব্র সমালোচনা, হুমায়ুনের দলবদলের ইতিহাস ফের কেন্দ্রবিন্দুতে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বারবার দলবদল (Party Switching), মেরুকরণের (Polarisation) রাজনীতি এবং উসকানিমূলক মন্তব্য—এই তিন কারণেই ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) ওপর গভীর ক্ষোভ জন্মেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মানুষের। কখনও পুলিশ–প্রশাসন (Police-Administration), কখনও দলের নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি—সব মিলিয়ে অভিযোগ, ব্যক্তিস্বার্থ (Personal Interest) পূরণই তাঁর মূল লক্ষ্য। এবার বাবরি মসজিদ গড়ার ‘সংকল্প’ ঘোষণা করায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, হুমায়ুনের কর্মকাণ্ডে লাভবান হতে পারে বিজেপি (BJP)। তাঁর বহু পুরনো ছবি ও দলবদলের ইতিহাস স্থানীয়দেরই পোস্টে এখন ভাইরাল। আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল, পরে বিজেপি, আবার তৃণমূল—মুর্শিদাবাদের ভোটাররা এই “political flip-flop” আর গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলেই দাবি কংগ্রেস, সিপিএম ও তৃণমূল নেতাদের।

তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করার পর পদ ছাড়ার কথা বললেও হুমায়ুন কলকাতা যাননি। বরং চষে দেখেছেন সেই জমি যেখানে তিনি ‘বাবরি মসজিদ’ (Babri Masjid) তৈরির কথা বলেছেন। শুক্রবার তিনি জানান, ডিসেম্বরের মধ্যেই তৃণমূল ছাড়বেন। এদিকে মসজিদ নির্মাণ নিয়ে দায়ের মামলায় হাই কোর্ট (High Court) হস্তক্ষেপ না করে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের ওপরই ছেড়েছে।

কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী হুমায়ুনকে আক্রমণ করে বলেন, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনও মসজিদ (Mosque Registration) নির্মাণই বেআইনি। আইএসএফও জানিয়ে দিয়েছে—ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করলে তাদের দলে জায়গা নেই।

Advertisement
ads

বেলডাঙায় শনিবারের শিলান্যাস (Foundation Stone Laying) ঘিরে বিশাল প্রস্তুতি। প্রায় ২৫ বিঘার জমিতে ৩ লক্ষ মানুষের ভিড়ের দাবি হুমায়ুনের। নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে RAF, SP, ASP, DSP, Inspector, SI–সহ ২৫০–র বেশি বাহিনী (Security Force)। গোয়েন্দা বিভাগেরও উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলার মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছতে শুরু করেছেন। সৌদি আরব থেকে ধর্মগুরুর আগমনও জানিয়েছে আয়োজকরা। সকাল ১০টায় কোরান তেলাওয়াতের পর দুপুর ১২টায় মূল শিলান্যাস। অনুষ্ঠান শেষে খাওয়াদাওয়া। পুরো আয়োজনের খরচ ৬০–৭০ লক্ষ টাকা, রান্নার দায়িত্বে ৭টি কেটারিং সংস্থা এবং মঞ্চেই ব্যয় প্রায় ১০ লক্ষ। ভিড় সামলাতে ২–৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও (Volunteers) নিয়োজিত।

Continue Reading
Advertisement