দক্ষিণ দিনাজপুর
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে উত্তপ্ত দক্ষিণ দিনাজপুরের শুকদেবপুর, মৃত ২
নিজস্ব সংবাদদাতা , গঙ্গারামপুর , ১৯ জানুয়ারী : জমি দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার শুকদেবপুর। এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই এলাকাতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। দফায় দফায় চলে গুলি বোমা ৷ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোলের সূত্রপাত বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। যদিও রায়গঞ্জে এসে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ৷
জমি দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার শুকদেবপুর এলাকা। সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কালিপদ সরকারের। জানা গেছে মঙ্গলবার সকালে গঙ্গারামপুরের শুকদেবপুরে জমি নিয়ে গন্ডগোল বাঁধে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। দফায় দফায় চলে বোমাবাজি ও গুলি। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন সঞ্জিত সরকার নামে এক তৃণমূল কর্মী। তার মাথায় গুলি লাগে। তাকে চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ওই তৃণমূল কর্মীর। পাশাপাশি সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন কালিপদর সরকার। তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনা জানাজানি হতেই সুমন রায় নামে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও কম ব্যাট ফোর্স। দলীয় সূত্রে খবর, কালিপদ সরকার বিপ্লব মিত্রের অনুগামী বলেই পরিচিত ছিলেন। যদিও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে কালিপদ সরকারের উচ্চ রক্তচাপ ও হাই সুগার থাকায় হৃদযন্ত্র বিকল হয়েই মারা যান তিনি। তবে এদিকে এই ঘটনা নিয়ে রায়গঞ্জে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন সুকদেবপুরের ঘটনায় তৃণমূলের কোন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। গোটা ঘটনা বিজেপির চক্রান্ত৷ দক্ষিণ দিনাজপুরে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য গিয়েছেন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছেন।
