আবহাওয়া
মৌসুমী পরিবর্তনের পূর্বাভাস, রাজ্যে গরমের থেকে মিলতে পারে কিছুটা স্বস্তি
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে (Andaman Islands) ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে বর্ষার আগমনদূত মৌসুমী বায়ু। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এর ফলে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কালবৈশাখী (Kalbaishakhi) ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। এই ঝড়ে ৬০-৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে কলকাতা (Kolkata) সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে এখনই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। গরম এবং আর্দ্রতা-ঘনিষ্ঠ আবহাওয়াই বজায় থাকবে। শহরে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৩ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৮ থেকে ৮৫ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সকালে রোদ উঠলেও দুপুর গড়াতেই মেঘলা আকাশ এবং বিকেল বা রাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উত্তরবঙ্গেও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে। পার্বত্য এলাকায় ৩০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয়, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। ‘শক্তি’ (Shakti) নামের এই সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হবে ১৬ থেকে ১৮ মে-র মধ্যে গঠিত নিম্নচাপ থেকে। ২৪ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে ওড়িশা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী কোনও স্থানে।
আবহাওয়া দফতরের মতে, ‘শক্তি’ নামটি প্রস্তাব করেছে শ্রীলঙ্কা। এটি শক্তি বাড়ালে রাজ্যে তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট পূর্বাভাসের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছে হাওয়া অফিস।
