কোচবিহার
কোচবিহারে পুলিশ সুপার বদলি: কালীপুজোর রাতে বাজি বিতর্কে শিশুদের মারধরের অভিযোগ
ডিজিটাল ডেস্ক:
কোচবিহারের পুলিশ সুপার (Superintendent of Police) দ্যুতিমান ভট্টাচার্যকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে বাজি (firecrackers) সংক্রান্ত বিতর্কে তাঁর নাম উঠে আসার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এখন তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের (West Bengal Police) সশস্ত্র বাহিনী (Armed Police Force) থার্ড ব্যাটালিয়ন (Third Battalion) কমান্ডান্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কোচবিহারের নতুন এসপি হয়েছেন সন্দীপ কারার। নবান্ন (Nabanna) বৃহস্পতিবার একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্যুতিমান ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেন। সন্দীপ এর আগে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (Deputy Commissioner) পশ্চিম পদে কর্মরত ছিলেন। দ্যুতিমান ভট্টাচার্যকে সরানোর জায়গায় সন্দীপ আসার পর, সন্দীপের পুরনো পদে নিয়োগ পেয়েছেন সোনওয়ানে কুলদীপ সুরেশ, যিনি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (Intelligence Bureau) এর সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সরানোর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নবান্নের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এটি একটি ‘রুটিন বদলি’ (routine transfer)। তবে বিভিন্ন মহলের ধারণা, সম্প্রতি কালীপুজোর রাতে বাজি ফাটানো নিয়ে যে শিশু ও মহিলাদের ওপর মারধরের (assault) ঘটনা ঘটেছিল, তার জেরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
কালীপুজোর রাতে কোচবিহারের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রেলঘুমটি এলাকায় বাজি পোড়ানো বন্ধ করতে গিয়ে স্থানীয় মহিলা ও শিশুদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনায় পাঁচ শিশু সহ মোট সাতজন আহত হন। যদিও পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাতভর শব্দবাজি (loud crackers) হয়েছে এবং তার নিরাপত্তারক্ষীরা (security personnel) বাধা দিয়েছিলেন; এর চেয়ে বেশি কিছু ঘটেনি।
