ভাইরাল খবর
কলকাতার স্কুলে ইসকনের মিড-ডে মিল শুরু! পড়ুয়াদের পাতে কী কী থাকবে? নতুন মেনু প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী
ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতার সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে শুরু হল ইসকনের (ISKCON) মিড-ডে মিল (Mid Day Meal) পরিষেবা। শনিবার তারাতলায় ইসকনের অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের (Annamrita Foundation) মেগা কিচেন উদ্বোধন করে এই প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইসকনের নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য ডিম দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, কলকাতার স্কুলগুলিতে সপ্তাহে দু’দিন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (Self Help Group) মাধ্যমে ডিম পৌঁছে দেওয়া হবে। ফলে মিড-ডে মিলের তালিকা থেকে ডিম বাদ যাচ্ছে না। ইসকনের পক্ষ থেকে সাত্ত্বিক ও পুষ্টিকর খাবার (Nutritious Food) সরবরাহ করা হবে।
ইসকনের মিড-ডে মিলের নতুন মেনুতে (Menu) থাকছে—
১) ভাত অথবা খিচুড়ি অথবা পোলাও।
২) ছানা অথবা পনির।
৩) সয়াবিন অথবা মরশুমি সবজি অথবা বাদাম।
৪) মিষ্টি অথবা মরশুমি ফল।
প্রথম পর্যায়ে কলকাতার প্রায় ৫০০টি স্কুলের ৪৪ হাজার পড়ুয়ার কাছে এই খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিষেবা আড়াই লক্ষ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে যাওয়ার পর রাঁধুনিদের কাজ হারানোর আশঙ্কা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, কোনও রাঁধুনি কর্মহীন হবেন না। ইসকনের রান্না ও খাবার সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, মিড-ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা (Allowance) ২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দও বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেন, ইসকনের সঙ্গে সরকারের চুক্তি না জেনেই অনেকে ডিম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু পড়ুয়াদের পুষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার আলাদা ব্যবস্থায় ডিম সরবরাহ করবে।
ইসকনের আধুনিক রান্নাঘর থেকে জিপিএস (GPS) যুক্ত বৈদ্যুতিক গাড়ির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
