খেলার খবর
২০১৫ সালের পর থেকে দিনে একবেলা খান মহাম্মদ শামি, কিন্তু কেন?
২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে মহাম্মদ শামি আগুন জ্বালিয়ে ছিলেন মাঠে। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর জানা যায়, গোড়ালির চোট নিয়েই খেলেছেন গোটা ম্যাচ। ভারতীয় দলকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিততে হলে, মহম্মদ শামির ভূমিকা থাকবে সত্যিই অনস্বীকার্য। কারণ জসপ্রীত বুমরাহর অনুপস্থিতিতে দুবাইয়ের ট্র্যাকে যদি ভারতকে কেউ সুবিধাজনক জায়গায় রাখতে পারেন তাহলে তিনি মহাম্মদ শামি।
সামি দেখালেন ঠিক যেখানে তিনি শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই এদিন শুরু করলেন। শামি বলেছেন, সব থেকে কঠিন কাজ হল নিজের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া।
২০২৩ বিশ্বকাপের পরে জানা যায়, গোড়ালির চোট নিয়েই তিনি খেলেছেন গত ম্যাচ। অস্ত্রোপচার করে ১৪ মাস পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসেন। এবারের ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে জসপ্রীত বুমরা না থাকায় সামিই রোহিত শর্মার মূলত প্রধান অস্ত্র।
আরও পড়ুন – বাংলাদেশের হার নিয়ে মজা করতে ছারলো না গুগল, কমেন্টে বয়কটের ঝড়
শামি বলেছেন, আমি যখন চোট কাটিয়ে উঠছিলাম তখন এনসিএতে ছিলাম। আমার ওজন তখন ছিল ৯০ কেজি। যেটা সব থেকে ভালো বিষয় হল আমি মিষ্টি একদমই খাই না। আর ভালো ভালো খাবারের প্রতিও কোনও লোভ নেই।
আমি ফিটনেস বাজার রাখতে অনেক কিছু জিনিসই এড়িয়ে চলি কিন্তু যেটা অনেকে পারে না। আর বিরিয়ানির কথা যদি বলি, তাহলে মাঝে মধ্যে তো চিট মিল মানে হল একটু আধটু ফাস্ট ফুড খাওয়া চলেই। ২০১৫ সাল থেকে আমি সারাদিনে মাত্র ১বারই খাবার খাই। আমি শুধুই রাতে ডিনার করি, কোনওরকম লাঞ্চ বা ব্রেকফাস্ট করি না। যথেষ্ট কঠিন বিষয় এটা, কিন্তু একবার অভিভ্যাস হয়ে গেলে আর কঠিন মনে হয় না।
সেই মহাম্মদ সামি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচে ২০০টি ওয়ানডে উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন। ১০৪ টি ম্যাচে এক নজির গড়লেন তিনি। কিন্তু তাঁর বলের সংখ্যা ৫১২৬। মিচেল স্টার্ক তাঁর থেকে ২টি ম্যাচ কম খেলে ২০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। কিন্তু বেশি বল করেছেন। অজি তারকার ডেলিভারির সংখ্যা ৫২৫০টি।
আরও পড়ুন – চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ‘পাকিস্তান’ -এর নাম সম্প্রচারে রাখেনি ভারতের মিডিয়ারা
