ভাইরাল খবর
সংসদে দাঁড়িয়ে উদ্বেগ প্রকাশ মোদির! তেলের বাজার অগ্নিগর্ভ হতেই বিকল্প পথে হাঁটছে দিল্লি
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্র (Battlefield) থেকে নির্গত আগুনের আঁচ এবার সরাসরি ভারতের অর্থনীতিতে। যুদ্ধের জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অবরুদ্ধ হওয়ায় ভারতে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বড়সড় সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সোমবার সংসদে দাঁড়িয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, “আমাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের (Fertilizers) বড় বাণিজ্য হরমুজ থেকেই হয়। যুদ্ধের জেরে সেই পথ এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ (Risky)।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, ৩ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়া এই যুদ্ধের প্রভাব গোটা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর পড়বে। তবে সরকার পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের সরবরাহ (Supply) স্বাভাবিক রাখতে সম্ভাব্য সবরকম পদক্ষেপ করছে। ইতিমধ্যেই ইরান-সহ মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফেরানো হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক (Review Meeting) সারেন মোদি। বিশেষ করে কৃষিকাজে সারের জোগান নিশ্চিত করতে কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, যুদ্ধের প্রভাবে ভারতের কৃষিক্ষেত্র (Agriculture sector) যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্য সবরকম ভাবে চাষিদের পাশে আছে সরকার। সংকটকালীন এই সময়ে রান্নার গ্যাসের (LPG) ওপর চাপ কমাতে কেন্দ্র কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে— এখন থেকে সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২৫ দিনের ব্যবধান (Interval) রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং যাঁদের নলবাহিত গ্যাস (PNG) সংযোগ আছে, তাঁদের সিলিন্ডার পরিষেবা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে।
