বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা! আমরা ফুল দিয়েছি, উনি অপমান করেছেন
Connect with us

ভাইরাল খবর

বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা! আমরা ফুল দিয়েছি, উনি অপমান করেছেন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ এসআইআর (SIR Issue) ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিয়ে দিল্লির বঙ্গভবনে (Bangabhaban) সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। পরিবারগুলির সদস্যরা কালো চাদর পরে অবস্থান নেন।

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “আমরা ফুল দিয়েছি, উনি অপমান করেছেন।” তিনি বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে বাংলার মানুষকে বারবার হয়রানি করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশে বঙ্গভবন ঘিরে ও তল্লাশি চালানোর ঘটনাও উল্লেখ করেন মমতা। তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন ও কেন্দ্রের কিছু কর্মকর্তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজ করছে, বাংলার ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

মমতা জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও বিজেপিকে (BJP) নিশানা (target) করেন। তিনি বলেন, তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) অন্য ডকুমেন্টস (documents) অনুমোদিত (allow) হচ্ছে, বাংলায় কেন নয়? দুই বছরের শিশুর জন্য দুধ (milk) আনতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।  যারা বৈধ ভোটার (voter), তাদের ভোটাধিকার (voting rights) হরণ করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলায় সংখ্যালঘু (minority) ৩৩ শতাংশ। রোহিঙ্গাদের (Rohingya) তথ্য নেই, কিন্তু সোশ্যাল নেটওয়ার্কের (social network) জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিলে, তৃণমূল এক ইঞ্চি জমি ছাড়বে না। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিহিংসাপরায়ণ (vindictive) হয়ে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, অমর্ত্য সেন ও জয় গোস্বামী নোটিস পেয়েছেন।

Advertisement
ads

তিনি আরও বলেন, বেআইনিভাবে মাইক্রো অবজার্ভার (micro observer) নিয়োগ করা হয়েছে। বিরোধীশাসিত রাজ্যগুলিতে SIR হচ্ছে, অসম ও উত্তর-পূর্বে নয়। ২০০২ সালের পর SIR প্রথমবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মমতা জানান, আদালতে মামলা চলছে এবং কমিশনের সঙ্গে বারবার চিঠি (letter) লেখা হয়েছে। তিনি শেষ করে বলেন, দিল্লি সংবাদমাধ্যম বাংলার বাস্তবতা সঠিকভাবে তুলে ধরছে না।

মমতা বলেন, দুই বছরের কাজ কেন দু’মাসে করতে হবে, মৃত্যুবরণকারী পরিবারদের দায় কে নেবে? তিনি জানান, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ দেখিয়ে জীবিত মানুষকে মৃত বানানো হচ্ছে এবং বহু যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ছে। এছাড়া, রোহিঙ্গা সন্দেহ, সীমান্ত সুরক্ষা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো প্রচার ও বিএলওদের বকেয়া টাকা প্রসঙ্গেও কটাক্ষ করেন। “দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবনে ঢুকে ঘরে ঘরে সার্চ করছে। বাংলার মানুষের জন্য যদি কেউ না লড়ে, আমি লড়ব।” মমতার অভিযোগ, ভোটারদের নির্বাচন প্রক্রিয়া ও অধিকার নিশ্চিতে কমিশন রাজনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করছে। তিনি সতর্ক করেন, কেন্দ্রীয় তৎপরতা বাংলার গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা।

Continue Reading
Advertisement