ইরানের ছ’টি বিমানবন্দরে ইজরায়েলের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ, ধ্বংস ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার
Connect with us

বিশ্বের খবর

ইরানের ছ’টি বিমানবন্দরে ইজরায়েলের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ, ধ্বংস ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। ইরানের ছ’টি সামরিক বিমানঘাঁটিতে পাল্টা ভয়াবহ হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel)। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই অভিযানে ইরানের (Iran) অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।

IDF-এর দাবি, যেসব বিমান ধ্বংস হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে F-14, F-5 যুদ্ধবিমান এবং AH-1 হেলিকপ্টার। ইজরায়েলের দাবি, এই বিমান এবং হেলিকপ্টারগুলি ইরান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রস্তুত করেছিল।

ইজরায়েলি বাহিনী জানায়, “ইরানের পশ্চিম, পূর্ব এবং মধ্যাঞ্চলের ছ’টি সামরিক বিমানবন্দরে (Iranian Air Bases) সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। রানওয়ে, ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি এবং রকেট সংরক্ষণাগার সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ কালীগঞ্জ উপনির্বাচনে তৃণমূলের ঐতিহাসিক জয়, মমতার বার্তা কৃতজ্ঞতার

Advertisement
ads

কেরমানশাহ অঞ্চলে সেনা গোয়েন্দা বিভাগের নির্দেশে ইজরায়েল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালায়। এই এলাকাতেই ইরান থেকে ইজরায়েলের দিকে একাধিক মিসাইল ছোড়া হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন আইডিএফ মুখপাত্র। ইজরায়েলি বাহিনী জানায়, “আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রয়োজনে এর থেকেও বড় পাল্টা হামলা হবে।”

এর আগে ইরান একের পর এক মিসাইল নিক্ষেপ করেছিল ইজরায়েলের হাইফা ও তেল আভিভের (Tel Aviv) দিকে। তার আগেই আমেরিকা (United States) বিমানহানা চালায় ইরানের ফরদো, নাটানজ ও ইসফাহান পারমাণবিক ঘাঁটিতে। হোয়াইট হাউস সূত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) স্পষ্ট ভাষায় জানান, “আমরা লক্ষ্যভ্রষ্ট হইনি। ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটিগুলিতে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”

এই যৌথ আমেরিকা-ইজরায়েল (US-Israel) হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমেরিকাকে এর জবাব দিতেই হবে। আমরা প্রতিশোধ নেব।”

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei) বলেছেন, “আমেরিকা ও ইজরায়েলের এই আগ্রাসন বরদাস্ত করা হবে না। খুব শীঘ্রই শত্রুরা ভয়ঙ্কর প্রতিশোধের মুখোমুখি হবে।”

Advertisement
ads

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের (Islamic Revolution) পর এই প্রথম এত বড় সামরিক আঘাতের মুখে পড়ল ইরান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বের বহু দেশ। ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে এই সংঘাত পর্যবেক্ষণ করছি।”

পশ্চিম এশিয়ায় এক চুল জায়গাও ছাড়তে নারাজ দুই শক্তিধর দেশ। কূটনৈতিক মহলের আশঙ্কা, এই সংঘাত আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

Continue Reading
Advertisement