ভাইরাল খবর
বিয়ের পর পুরুষত্ব নিয়ে মামলা, স্ত্রীর দাবি প্রত্যাখ্যান করল হাইকোর্ট
ডিজিটাল ডেস্কঃ মুম্বই হাইকোর্টে সাম্প্রতিক একটি মামলার রায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় এক নারী আদালতে দাবি করেন, তাঁর বিবাহিত জীবন ব্যর্থ হওয়ার পেছনে তাঁর স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা দায়ী। তিনি আদালতের কাছে তাঁর স্বামীর শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল পরীক্ষার আবেদন জানান।
২০১৯ সালে প্রথমবার স্বামীর শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পুনের সাসুন হাসপাতাল একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দেয়। রিপোর্টে জানানো হয়, ওই ব্যক্তি যৌন অক্ষম নন। এরপর বিষয়টি পারিবারিক আদালতে গড়ায় এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এ নিয়ে নতুন করে শুনানি হয়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্ত্রী ফের স্বামীর নতুন করে মেডিক্যাল পরীক্ষার আবেদন করেন, যা পারিবারিক আদালত গ্রহণ করে।
আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টে স্বস্তি সুজয়কৃষ্ণর! বাড়ানো হল অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ
এই আদেশকে স্বামী চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানির পর হাইকোর্ট জানায়, আগেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে তিনি শারীরিকভাবে সক্ষম। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর নতুন করে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করা যথার্থ হবে না, কারণ বয়সের সঙ্গে মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়। বিচারপতি মাধব জামদার মন্তব্য করেন, “আট বছর পর এমন পরীক্ষা করানো বাস্তবসম্মত বা আইনসঙ্গত নয়।”
ফলস্বরূপ, বম্বে হাইকোর্ট পারিবারিক আদালতের দেওয়া পরীক্ষার অনুমতি বাতিল করে দেয় এবং স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর আনা দাবিও খারিজ করে দেয়। এই রায়ের ফলে মামলাটি এখন জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।
