Kasba Law College-এ ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন TMCP নেতা মনোজিৎ মিশ্র
Connect with us

ভাইরাল খবর

Kasba Law College-এ ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন TMCP নেতা মনোজিৎ মিশ্র

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আবারও ধর্ষণের অভিযোগে তোলপাড় কলকাতা। কসবার (Kasba) ল কলেজে (Law College) এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রাক্তন নেতা মনোজিৎ মিশ্র (Manojit Mishra) এবং তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসের গার্ড রুমে জোর করে টেনে নিয়ে গিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর (FIR), গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল বলে দাবি করছেন কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ। দীর্ঘদিন ধরে কলেজ চত্বরেই ছিল তাঁর একচ্ছত্র প্রভাব। ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে শিক্ষকদের কার্যকলাপে হস্তক্ষেপ, এমনকি সিসিটিভি ভাঙচুরের ঘটনাও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে কলেজে ভর্তি হয় মনোজিৎ, পরে এক ছুরি মারার ঘটনায় ডিসকলেজিয়েট হয়। যদিও ২০১৭ সালে ফের ভর্তি হয়ে ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে।

নির্যাতিত ছাত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিট সভানেত্রী পদে বসানোর প্রস্তাব দিয়ে তাঁকে যৌন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রাজি না হলে ভয় দেখানো হয়। পরে গার্ড রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে মনোজিৎ এবং দুই সঙ্গী। মেয়েটি জানায়, প্রাণভিক্ষা চেয়ে কাঁদলেও দয়া করা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ ভেনিসে অ্যামাজন কর্তার গোপন বিয়ে, তিন দিন ধরে চলল রাজকীয় আয়োজন

Advertisement
ads

ঘটনায় শাসক দলও চাপে। প্রশ্ন উঠছে, কেন এত দিন ধরে অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? দলীয় পরিচয়ের জেরে কি এই সমস্ত অভিযোগে বারবার পার পেয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত? যদিও তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, দলের কোনও অবস্থানই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে প্রশ্রয় দেওয়ার নয়। দলের নেতারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি তাঁরা পূর্ণ সমর্থন করেন।

এদিকে, মনোজিতের ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা গিয়েছে, সে নিজেই এক সময় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ধর্ষণ-কাণ্ডে বিচার এবং দোষীদের ফাঁসির দাবি তুলেছিল। সেই পোস্ট ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তা ছিল নিছক লোক দেখানো নৈতিকতা?

ঘটনার পর কসবা ল কলেজে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে কলেজে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ছাত্র ও শিক্ষক মহলে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement