রাজনীতি
দিল্লি লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিরাপত্তায় গাফিলতি? আদালতের তত্ত্বাবধানে SIT তদন্তের দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আদালতের নজরদারিতে SIT গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে তদন্তে উঠে আসছে জইশ-ই-মহম্মদের নামও।
দিল্লির লালকেল্লার (Red Fort) সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের (Explosion) ঘটনায় কেঁপে উঠেছে রাজধানী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ, আহতও হয়েছেন অনেকে। দিনের শুরুতে ফরিদাবাদে প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক (Explosives) উদ্ধার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় (Security System) এত বড় ফাঁক রইল কীভাবে?
এই ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার নিজের X (পূর্বে Twitter) হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন,
“দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। বহু মানুষের প্রাণহানি ও আহত হওয়ার খবর সত্যিই মর্মান্তিক। স্বজনহারা পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Home Ministry) অধীন। তাদের দায়িত্ব ছিল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাহলে এমন গাফিলতি (Negligence) কীভাবে ঘটল?”
তিনি আরও বলেন,
“সোমবার সকালে ফরিদাবাদে যে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, তা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা (Internal Security) ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই প্রমাণ করছে। সত্য উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তির জন্য আদালতের নজরদারিতে (Under Court Supervision) একটি বিশেষ তদন্ত দল—সিট (SIT) গঠন করা উচিত।”
এদিকে তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের আগে বিকেল ৪টার দিকে একটি সন্দেহভাজন গাড়ি (Suspicious Car) প্রবেশ করে সুনহেরি মসজিদের (Sunehri Masjid) পার্কিং লটে। প্রায় তিন ঘণ্টা সেখানে থাকার পর গাড়িটি বেরিয়ে আসে এবং মেট্রো স্টেশনের সামনে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে।
তদন্তকারীরা (Investigators) শতাধিক সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জানতে পেরেছেন, বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে একজনই ছিল।
এনএসজি (NSG) ও এফএসএল (FSL) টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নমুনা সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিক অনুমান, এই বিস্ফোরণে আইইডি (IED) বা অনুরূপ উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে। তদন্তের গতিপথ অনুযায়ী, হামলার ধরন দেখে জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
