পাক তরুণীকে বিয়ে, বরখাস্ত সিআরপিএফ জওয়ান; আদালতের পথে মুনির আহমেদ
Connect with us

দেশ

পাক তরুণীকে বিয়ে, বরখাস্ত সিআরপিএফ জওয়ান; আদালতের পথে মুনির আহমেদ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানি নাগরিককে বিয়ে করার পর তাঁকে দেশে রাখার অভিযোগে বরখাস্ত করা হল সিআরপিএফ (CRPF)-এর জওয়ান মুনির আহমেদকে (Munir Ahmed)। কিন্তু তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং একতরফা। তিনি বিষয়টি আদালতে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছেন বলেই জানিয়েছেন।

জম্মুর (Jammu) বাসিন্দা মুনির জানান, সংবাদমাধ্যম থেকে প্রথম তিনি নিজের বরখাস্তের খবর জানতে পারেন। পরে সিআরপিএফের তরফে একটি অফিসিয়াল চিঠির মাধ্যমে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু সরাসরি কোনও আধিকারিকের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পাক তরুণীর সঙ্গে গোপন বিবাহ, জাতীয় নিরাপত্তার শঙ্কায় বরখাস্ত সিআরপিএফ জওয়ান

আহমেদের বক্তব্য, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা মিনাল খানের (Minal Khan) সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় অনলাইনে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ২০২৪ সালের ২৪ মে তাঁদের নিকাহ সম্পন্ন হয় ভিডিও কলে। তিনি জানান, বিয়ের আগে অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল ২০২৪-এ সদর দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতিও নিয়েছিলেন। এমনকি ২০২২ সালের ডিসেম্বরেই মিনালের বিষয়ে বাহিনীকে অবহিত করেছিলেন বলেও দাবি তাঁর।

Advertisement
ads

মুনির বলেন, তিনি শুধু সদর দফতরেই নয়, তাঁর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ও ডেপুটিকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন এবং বিবাহ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্রও জমা দেন। তাঁর কথায়, “আমি নিয়ম মেনেই সব করেছি। ব্যাটেলিয়নের রেকর্ড বইতেও স্ত্রীর বিষয়ে তথ্য আপডেট করা হয়েছে।”

অন্যদিকে, বাহিনীর অভিযোগ, আহমেদ তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে তথ্য গোপন করেছেন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় তাঁকে দেশে রাখার চেষ্টা করেছেন, যা বাহিনীর আচরণবিধি লঙ্ঘন করে। সিআরপিএফের মতে, এই ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ।

মিনাল ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে প্রবেশ করেন ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে। তাঁর ভিসা ছিল ২২ মার্চ পর্যন্ত। তবে মুনিরের দাবি, তাঁরা মার্চ মাসেই দীর্ঘমেয়াদি ভিসার জন্য আবেদন করেন এবং প্রক্রিয়াও শুরু করেন।

এখন মুনিরের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমার সঙ্গে ন্যায়বিচার করা হয়নি। আমি সমস্ত নিয়ম মেনেছি। এভাবে বরখাস্ত করাটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।” তিনি জানিয়েছেন, সিআরপিএফ-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পথে লড়াই চালাবেন তিনি।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement