বিধানসভা ভোটের মুখে বড় চমক, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা সিভি আনন্দ বোস
Connect with us

ভাইরাল খবর

বিধানসভা ভোটের মুখে বড় চমক, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা সিভি আনন্দ বোস

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় ধামাকা (Surprise)। দীর্ঘ প্রায় ৪০ মাস দায়িত্ব সামলানোর পর বৃহস্পতিবার আচমকা পদত্যাগ (Resigned) করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বর্তমানে তিনি দিল্লিতে (Delhi) অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। রাজভবন সূত্রে খবর, রাষ্ট্রপতি ইতিমধ্যেই সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ (Accepted) করেছেন।

২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর দায়িত্ব নেওয়া এই প্রাক্তন আমলার মেয়াদ ছিল ২০২৭ সাল পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের ২০ মাস আগেই তাঁর এই প্রস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর রহস্য (Mystery)। এই বিষয়ে আনন্দ বোসের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “আমি রাজ্যপালের দফতরে যথেষ্ট সময় কাটিয়ে ফেলেছি।” তবে তাঁর এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে রীতিমতো হতবাক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করে লিখেছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry) হয়তো রাজ্যপালের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেছেন যে, কেন্দ্র তাঁকে অন্ধকারে রেখেই তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবিকে (R. N. Ravi) বাংলার দায়িত্ব দিচ্ছে। তাঁর মতে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে এই ধরনের একতরফা সিদ্ধান্ত (Unilateral decision) ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর (Federal structure) ওপর আঘাত।

উল্লেখ্য, সিভি আনন্দ বোসের কার্যকালে নবান্নের সঙ্গে রাজভবনের সম্পর্ক একাধিকবার সংঘাতপূর্ণ (Conflict) হয়ে উঠেছিল। কখনও শিক্ষা ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ, কখনও বা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সরাসরি সমালোচনা—সব মিলিয়ে পরিবেশ ছিল উত্তপ্ত। তবুও ভোটের আগে তাঁর এই সরে যাওয়া এবং রাষ্ট্রপতির বঙ্গ সফরের আগের মুহূর্তে এই রদবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ (Significant) বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আনন্দ বোসের পর বাংলার সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে আর এন রবির ভূমিকা কেমন হয়, এখন সেটাই দেখার।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement