ভাইরাল খবর
খেলা হবে দিবসে শিক্ষক মারধরের অভিযোগে কাঠগড়ায় ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা
‘খেলা হবে দিবস’ (Khela Hobe Dibas) ঘিরে ফের অশান্তি ভাঙড়ে। অভিযোগ উঠেছে, ভাঙড়-২ (Bhangar-II) পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ খয়রুল ইসলাম (Khairul Islam) মাঠের বাইরে এক শিক্ষককে (Teacher) বেধড়ক মারধর করেন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
শনিবার ‘খেলা হবে দিবস’-এর (Khela Hobe Dibas) দিন ব্লক ভিত্তিক ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয় ভাঙড়-২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে কারবালা ফুটবল মাঠে (Karbala Football Ground)। খেলা দেখতে হাজির ছিলেন বিডিও (BDO), বিধায়ক (MLA) সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। চূড়ান্ত ম্যাচ হয় ভগবান হাইস্কুল (Bhagban High School) বনাম হাতিসালা সরোজিনী হাইমাদ্রাসা (Hatisala Sarojini High Madrasah)-এর মধ্যে।
খেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, তার মধ্যেই মাঠের বাইরে শিক্ষক নাসিরুদ্দিনকে (Nasiruddin) কিল-চড় মারেন খয়রুল। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত শিক্ষক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এমনকি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রছাত্রীরা (Students)।
নাসিরুদ্দিন অভিযোগপত্রে লেখেন— “মাঠে খেলা চলাকালীন ভগবানপুর হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি খয়রুল ইসলাম কিছু বহিরাগতকে নিয়ে আমাদের উপর চড়াও হন এবং একাধিক শিক্ষককে মারধর করেন। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদেরও ভয় দেখান।”
যদিও খয়রুলের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কথায়— “এটা একটা সম্প্রীতির ম্যাচ ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে। চড়-ঘুষি মারার প্রশ্নই নেই। প্রমাণ থাকলে দেখানো হোক। মাঠে প্রশাসনও (Administration) উপস্থিত ছিল। মাঠের বাইরে কিছু গোলমাল হয়েছে বলে শুনেছি, কিন্তু আমি বা আমার দলের কেউ জড়িত নই।”
প্রসঙ্গত, একই দিনে মেদিনীপুরে (Medinipur) ফুটবল মাঠে ঢুকে রেফারিকে (Referee) লাথি মারার অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতার ভাইপো রাজা খান (Raja Khan)। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করে। ফলে ভাঙড়ের ঘটনার সঙ্গে মেদিনীপুরের ঘটনাও মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।