স্পিকারের চেয়ারকে চরম কটাক্ষের অভিযোগ! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আনা হলো স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ
Connect with us

Uncategorized

স্পিকারের চেয়ারকে চরম কটাক্ষের অভিযোগ! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আনা হলো স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা (West Bengal Assembly)-য় হট্টগোলের জেরে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ (Privilege Motion) আনা হয়েছে। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী (Parliamentary Affairs Minister) শঙ্কর ঘোষ অভিযোগ করেন, অধিবেশন চলাকালীন কুণাল ঘোষ স্পিকারের চেয়ার (Chair) ও অধ্যক্ষের মর্যাদা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন, যা বিধানসভার গরিমা ক্ষুণ্ণ করেছে। পরে অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস ওই নোটিশ গ্রহণ করেন।

নোটিশের জবাবে কুণাল ঘোষ স্পষ্ট জানান, তাঁর উদ্দেশ্য কখনও স্পিকারকে অসম্মান করা ছিল না। তিনি বলেন, “আমি আপনার চেয়ারকে অসম্মান করিনি। যদি আমার আচরণে আপনার মনে হয়ে থাকে যে চেয়ারকে অসম্মান করেছি, তাহলে আমি তার জন্য দুঃখিত।”

কুণাল ঘোষ দাবি করেন, তাঁকে বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল না। তাঁর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের আলোচনায় তাঁর নাম থাকলেও পরে তা বাদ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি পরিষদীয় মন্ত্রীকে দেখতে বলেছিলেন এবং প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দেওয়ার কথাও হয়েছিল।

বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে কুণাল ঘোষ নিজের আসন ছেড়ে তাঁর মাইকের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এরপর বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি বিধায়করাও ওয়েল (Well of the House)-এ নেমে আপত্তি জানান। স্পিকারের একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও কুণাল নিজের আসনে না ফেরায় তাঁকে একদিনের জন্য সাসপেন্ড (Suspend) করা হয় এবং পরে মার্শাল (Marshal) ডেকে তাঁকে অধিবেশন কক্ষের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement
ads ads

পরবর্তীতে আখরুজ্জামানের সঙ্গে আলোচনায় কুণাল জানান, তাঁর কোনও ব্যক্তিগত বিরোধ নেই, তিনি শুধু বক্তব্য রাখার সুযোগ চেয়েছিলেন। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভার অন্দরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

Continue Reading
Advertisement ads