পুলিশের গুলিতে মৃত্যু, তদন্ত করবে পুলিশই? বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা
Connect with us

ভাইরাল খবর

পুলিশের গুলিতে মৃত্যু, তদন্ত করবে পুলিশই? বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বারুইপুর এনকাউন্টার (Baruipur Encounter) কাণ্ড ঘিরে আইনি জট আরও বাড়ল। অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থা বদলের দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) নতুন জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের হয়েছে। মামলাকারীর প্রশ্ন, যে রাজ্য পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে, সেই পুলিশের অধীনস্থ সংস্থা কীভাবে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করবে?

মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র এই মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর পক্ষ থেকে আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী আদালতে সওয়াল করেন। বর্তমানে এই এনকাউন্টার ঘটনার তদন্তভার রয়েছে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র হাতে। তবে মামলাকারীর দাবি, তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তদন্তভার অন্য কোনও স্বাধীন সংস্থার হাতে দেওয়া প্রয়োজন।

বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রভাস মণ্ডল। পুলিশ জানিয়েছিল, গত ৮ জুলাই অপরাধের পুনর্নির্মাণ (Reconstruction) করতে তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে এবং এক পুলিশকর্মীর অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায় বলে দাবি করা হয়। এরপর আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রভাসের মৃত্যু হয়।

তবে পুলিশের এই দাবি নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। মামলাকারীর অভিযোগ, যে ঘটনার সঙ্গে পুলিশ সরাসরি যুক্ত, সেই ঘটনার তদন্ত পুলিশেরই একটি শাখার মাধ্যমে হলে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

Advertisement
ads ads

এর আগে এই ঘটনায় একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। নতুন মামলাটি যুক্ত হওয়ার পর হাইকোর্টে বারুইপুর এনকাউন্টার সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বেড়ে চার হয়েছে।

কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলাগুলির শুনানি চলছে। আদালত ইতিমধ্যেই রাজ্যের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে।

বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেন গভীর রাতে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে গুলি চলেছিল, তার বিস্তারিত তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে।

আগামী ১৮ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads