তারাতলা বিপর্যয়ে উদ্ধারকাজের মাঝে প্রকৃতির কোপ! প্রবল দুর্যোগে বিঘ্নিত সেনা-এনডিআরএফের কাজ
Connect with us

আবহাওয়া

তারাতলা বিপর্যয়ে উদ্ধারকাজের মাঝে প্রকৃতির কোপ! প্রবল দুর্যোগে বিঘ্নিত সেনা-এনডিআরএফের কাজ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: তারাতলায় কারখানার গুদাম ভেঙে পড়ার পর যখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে, ঠিক তখনই বাধ সাধল প্রকৃতি। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা কলকাতার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। ভরদুপুরেই নেমে আসে সন্ধ্যার অন্ধকার। শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি (Heavy rain) এবং সাথে লাগাতার বজ্রপাতের (Lightning) তাণ্ডব। এই দুর্যোগের জেরে তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ (Rescue operation) সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Weather office) আগেই জানিয়েছিল, কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ৫০-৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া এবং তীব্র বজ্রপাত হতে পারে। সেই পূর্বাভাস মিলিয়েই দুপুরের পর দৃশ্যমানতা (Visibility) এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যায়। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে নিযুক্ত সেনা (Army), এনডিআরএফ (NDRF), পুলিশ ও দমকল কর্মীদের চরম বেগ পেতে হচ্ছে। তবে আবহাওয়ার এই চরম প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উদ্ধারকারীরা ময়দান ছাড়েননি।

বুধবার দুপুরে কারখানাটি ভেঙে পড়ার সময় প্রায় ৪০ জন শ্রমিক ভেতরে ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) কড়া নজরদারিতে রাতভর উদ্ধারকাজ চলেছে। বৃহস্পতিবার সকালেও অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি (Advanced equipment) ও ১০টি জায়গায় ভার্টিকাল ড্রিলের (Vertical drill) মাধ্যমে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে তল্লাশি চলছিল।

এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Accident) এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। নিহতদের পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে রাজ্য। পাশাপাশি পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রও। দুর্যোগের কারণে কাজ কিছুটা শ্লথ হলেও, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা বাকি প্রাণগুলিকে দ্রুত বের করে আনতে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই লড়াই চালাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads