ক্ষমতার পালাবদলের পর প্রথম বড় আন্দোলন! হকারদের রুজি-রোজগার বাঁচাতে মিছিলে মমতা
Connect with us

ভাইরাল খবর

ক্ষমতার পালাবদলের পর প্রথম বড় আন্দোলন! হকারদের রুজি-রোজগার বাঁচাতে মিছিলে মমতা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে নতুন বিজেপি (BJP) সরকার ক্ষমতায় আসতেই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযানের (Eviction drive) প্রতিবাদে এবং হকার ও ছোট ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় বুধবার ফের কলকাতার রাজপথে নামলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

এদিন ধর্মতলা মোড় থেকে শুরু হয়ে পদযাত্রাটি (Procession) ওয়েলিংটন পর্যন্ত যায়। শিয়ালদহ থেকে হাওড়া স্টেশন— বিভিন্ন স্টেশনে রেল কর্তৃপক্ষের (Rail authorities) হকার উচ্ছেদ এবং প্রশাসনের নিয়মমাফিক বসার নির্দেশের জেরে উনুনে জল পড়েছে বহু পরিবারের। এই ক্ষোভকে পুঁজি করেই ‘কালীঘাট তৃণমূল’ সুপ্রিমো বুকে প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে, সাধারণ মানুষকে নিয়ে মানববন্ধন (Human chain) করে ধর্মতলার মিছিলে নেতৃত্ব দেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly election) বড়সড় ধাক্কা খাওয়ার পর এবং দলের ২০ জন সাংসদের দলত্যাগের ঘোষণার জল্পনার মাঝেই, এটি আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বড় শক্তি পরীক্ষা (Strength test)। বাম নেতা সুজন ও সৃজনদের বিক্ষোভের পর, এবার হকার ইস্যুতেই দলের অবশিষ্ট অংশের লিটমাস টেস্ট (Litmus test) করতে চাইছেন তিনি।

এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মিছিলে পা মেলান কুণাল ঘোষ, দোলা সেনের মতো প্রথম সারির নেতারা। কালীঘাটের নেতৃত্বের স্পষ্ট দাবি, ফুটপাত ও রাস্তার ধারে ব্যবসা করে বহু পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। পুনর্বাসন (Rehabilitation) না দিয়ে এভাবে উচ্ছেদ করলে তাঁদের রুজি-রোজগারের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি (Political programme) হিসেবে না দেখে, মানুষের জীবিকা ও মানবিক অধিকারের (Human rights) লড়াই হিসেবে তুলে ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Continue Reading
Advertisement