রাজনীতি
মোদীর কলকাতা সফরের আগে ‘স্বচ্ছতাকে স্বাগত’! ঝাঁটা হাতে গঙ্গার ঘাট সাফাই মুখ্যমন্ত্রীর
২১ জুনের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আগে সেজে উঠছে তিলোত্তমা। বাগবাজার ঘাট থেকে ৫ দিনের বিশেষ সাফাই অভিযানের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজে হাতে ঝাঁটা দিয়ে সাফ করলেন গঙ্গার ঘাট।
ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতায় এবার জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক যোগদিবস (International Yoga Day)। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সশরীরে যোগ দিতে তিলোত্তমায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর এই মেগা সফরকে কেন্দ্র করে তিলোত্তমাকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে করে তুলতে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) উদ্যোগে শুরু হলো এক বিশেষ সাফাই অভিযান। বুধবার উত্তর কলকাতার ঐতিহাসিক বাগবাজার ঘাট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন কর্মসূচির সূচনা হয়। তিলোত্তমার প্রাণরেখা গঙ্গার ঘাটগুলিকে সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত এবং পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে এই মহতী উদ্যোগের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বুধবার সকালে রাজ্য প্রশাসনের একঝাঁক শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে বাগবাজার ঘাটে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল ও মন্ত্রী তাপস রায়সহ পুরসভার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ঘাটের সৌন্দর্যায়নের জন্য সেখানে প্রথমে বৃক্ষরোপণ বা গাছ লাগানো হয়। এরপর খোদ মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে ঝাঁটা তুলে নিয়ে গঙ্গার ঘাট পরিষ্কারের কাজে হাত লাগান।
মুখ্যমন্ত্রীর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ সাফাই কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে। এই কর্মসূচি (Program) প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আমরা একটা সুন্দর এবং স্বচ্ছ বাংলা উপহার দেব।’ আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই বিশেষ সাফাই অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন কলকাতা পুরসভায় একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (Meeting) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আগে গোটা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার রূপরেখা তৈরি করে দেন। তিলোত্তমাকে সাজিয়ে তুলতে পুরসভার পক্ষ থেকে এই বিশেষ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বচ্ছতাকে স্বাগত’।
পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ দিন ধরে কলকাতা জুড়ে এই মেগা সাফাই অভিযান (Cleanliness Drive) চালানো হবে। এই ৫ দিনে শহরের সমস্ত গঙ্গার ঘাট, সরকারি পার্ক, দর্শনীয় স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট ধুয়ে-মুছে সাফ করা হবে। তিলোত্তমার হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং বিশ্বমঞ্চে কলকাতার একটি পরিচ্ছন্ন রূপ তুলে ধরাই এখন পুরসভার মূল লক্ষ্য।
