ভাইরাল খবর
আপনাদের দল থেকেই তো তৃণমূলে গিয়েছিলেন! কল্যাণকে খোঁচা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা (Lok Sabha) চত্বরে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ও কংগ্রেস (Congress)-এর সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হল প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) সংক্ষিপ্ত কথোপকথনকে ঘিরে। বৃহস্পতিবার সংসদ (Parliament) চত্বরে তৃণমূলের বিদ্রোহী (Rebel) ২০ সাংসদের দলত্যাগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে।
সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে ২০ জন সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, দীপক অধিকারী (দেব) এবং সায়নী ঘোষ। এই ঘটনাকে তৃণমূলের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিক্ষোভ চলাকালীন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনারাই তো কংগ্রেস থেকে তাঁদের তৃণমূলে নিয়ে গিয়েছিলেন।” উত্তরে কল্যাণ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি জানান, তিনিও একসময় যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) সহ-সভাপতি ছিলেন এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই তৃণমূলের জন্ম।
এরপর প্রিয়াঙ্কা বলেন, “রাজীব গান্ধী দিদিকে খুবই সম্মান করতেন।” জবাবে কল্যাণও সেই কথা মেনে নিয়ে বলেন, পরে কংগ্রেস বামেদের (Left Front) সঙ্গে হাত মেলানোয় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়।
এদিন সংসদ চত্বরে বড় ব্যানার হাতে বিদ্রোহী সাংসদদের ‘গদ্দার’ আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভও দেখান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে কংগ্রেস সাংসদ পাপ্পু যাদবও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির (Opposition Politics) ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে, দলত্যাগী ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইন (Anti-Defection Law) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে লোকসভার স্পিকার (Speaker) ওম বিড়লার কাছে ফের আবেদন জানিয়েছে তৃণমূল। দলের দাবি, দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়নি। তৃণমূলের অভিযোগ, দ্রুত সাংবিধানিক (Constitutional) প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করা উচিত।
