ভোট শেষ হতেই বেহালায় রক্তাক্ত সংঘর্ষ! EVM লুঠের অভিযোগে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা
Connect with us

রাজনীতি

ভোট শেষ হতেই বেহালায় রক্তাক্ত সংঘর্ষ! EVM লুঠের অভিযোগে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার (Second Phase) ভোটগ্রহণ মোটের ওপর শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও, রাতের অন্ধকার নামতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ কলকাতার বেহালা। ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে ইভিএম (EVM) লুঠের চেষ্টা রুখতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। অভিযোগের তির বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

তৃণমূলের দাবি, ভোট শেষে যখন ইভিএম বাসে করে তোলা হচ্ছিল, তখন অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বাধা দিতে গেলে ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা রাজ্য তৃণমূলের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাসকে বেধড়ক মারধর (Physical Assault) করা হয়। ইটের আঘাতে তাঁর মাথা ও নাক ফেটেছে, মুখে আটটি সেলাই পড়েছে এবং ভেঙেছে দাঁতও। অঞ্জন দাস ছাড়াও আরও চারজন তৃণমূল কর্মী এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক (Critical) হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত সেখানে পৌঁছান বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী (Candidate) রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, “ইন্দ্রনীল খাঁ এবং মৌনাক চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিজেপি ইভিএম চুরির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। সারাদিন প্ররোচনা সত্ত্বেও আমাদের ছেলেরা শান্ত ছিল, কিন্তু শেষে পরাজয়ের আতঙ্কে বিজেপি এই বর্বরোচিত (Barbaric) আক্রমণ করল।”

Advertisement
ads

অন্যদিকে, বিজেপি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (Internal Feud) বলে দাবি করেছে। বর্তমানে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF) মোতায়েন রয়েছে। পর্ণশ্রী থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। শান্তিপূর্ণ ভোটের শেষে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বেহালা এখন থমথমে।

Continue Reading
Advertisement