ভাইরাল খবর
ভোটের পরদিন এল স্লিপ! বিএলও-র ভুলে ভোট হারালেন তরুণী
ডিজিটাল ডেস্কঃ গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বিএলও-র (BLO) চরম উদাসীনতায় শেষ পর্যন্ত বুথে পৌঁছাতে পারলেন না এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার চাঁচল-১ ব্লকের সিহিপুর গ্রামে। অভিযোগ, মালদার ২২৩ নম্বর বুথের ভোটার হুশনারা বেগম ভোটের দিন বারবার স্লিপ চাইলেও বিএলও আখতার হোসেন তাঁকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন। অথচ ভোট মিটে যাওয়ার পরদিন অর্থাৎ শুক্রবার সকালেই সেই কাঙ্ক্ষিত স্লিপ (Voter Slip) নিয়ে হাজির হন ওই আধিকারিক!
এই নজিরবিহীন গাফিলতির (Negligence) খবর জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা (Tension) ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা সংশ্লিষ্ট বিএলও-কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (Protest) দেখান। তরুণীর অভিযোগ, অনলাইনে তাঁর নাম দেখা গেলেও বিএলও নানা টালবাহানা করে তাঁকে স্লিপ দেননি। ফলে তিনি তাঁর সাংবিধানিক অধিকার (Constitutional Right) হারান।
অভিযুক্ত বিএলও আখতার হোসেন নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে দাবি করেন যে, একই নামের দুইজন ব্যক্তি থাকায় এই বিভ্রাট (Confusion) ঘটেছে। স্থানীয় নির্দল প্রার্থী আনজারুল হক জনি এই ঘটনাকে ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি চরম অবহেলা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। দায়িত্বহীনতার (Irresponsibility) অভিযোগে ওই বিএলও-র দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন সিহিপুর গ্রামের বাসিন্দারা। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবই কি একজন সাধারণ মানুষের ভোটদানের সুযোগ কেড়ে নিল? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে মালদার রাজনৈতিক মহলে।


