শোকজের পাল্টা পদত্যাগ: মালদা জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের ইস্তফায় শোরগোল
Connect with us

ভাইরাল খবর

শোকজের পাল্টা পদত্যাগ: মালদা জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের ইস্তফায় শোরগোল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) ঠিক মুখেই মালদার চাঁচল কেন্দ্রে কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় ফাটল দেখা দিল। প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আদি-নব্য দ্বন্দ্বের (Old vs New Conflict) জেরে মঙ্গলবার রাতে জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের (General Secretary) পদ থেকে ইস্তফা দিলেন আঞ্জারুল হক জনি (Anjarul Haque Joni)। জেলা সভাপতি (District President) ইশা খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে তাঁর এই পদত্যাগ চাঁচল রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত চাঁচল কেন্দ্রে আসিফ মেহবুবকে প্রার্থী (Candidate) হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই। দলীয় কর্মীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দু’দিন ধরে বিক্ষোভ (Protest) ও ধর্না দিচ্ছিলেন। জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরী এই বিশৃঙ্খলার জন্য সরাসরি আঞ্জারুল হক জনিকে দায়ী করেন এবং তাঁকে ‘দলবিরোধী কাজের’ (Anti-party activities) অভিযোগে শোকজ (Show cause) করেন। এর পাল্টা জবাবে জনি সাফ জানান, তিনি কোনোভাবেই এই বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মঙ্গলবার রাতে চাঁচলের তরলতলা মোড়ে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন (Press Conference) করে তিনি নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

ক্ষুব্ধ নেতা আঞ্জারুল হক জনি জানান, “প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে কর্মীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন, কিন্তু জেলা নেতৃত্বের (District Leadership) কেউ তাঁদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন মনে করেননি। উল্টে আমাকে ফোন করে হুমকি (Threat) দেওয়া হয়েছে।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আঞ্জারুল হক জনি শেষ পর্যন্ত নির্দল প্রার্থী (Independent Candidate) হিসেবে লড়াই করলে চাঁচলে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে (Vote bank) বড়সড় ভাঙন ধরতে পারে। যদিও জনি জানিয়েছেন, তিনি আপাতত কংগ্রেসের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবেই কাজ করবেন।

Advertisement
ads