বিশ্বের খবর
আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল আগুনের গোলা! নাতানজ ধ্বংসের পর ইজরায়েলি পরমাণু ঘাঁটিতে পাল্টা মার ইরানের
ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র (Battlefield) এখন চরম উত্তেজনার শিখরে। শনিবার ইরানের নাতানজ পরমাণুকেন্দ্রে (Natanz nuclear site) ইজরায়েলি হামলার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভয়াবহ পালটা আঘাত হানল তেহরান। ইজরায়েলের (Israel) ডিমোনা পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র (Dimona Nuclear Facility) এবং আরাদ (Arad) শহরকে লক্ষ্য করে একঝাঁক ব্যালিস্টিক মিসাইল (Ballistic Missiles) ছুড়ল ইরান। এই ‘যেমন কর্ম তেমন ফল’ (Tit-for-Tat) নীতিতে চালানো হামলায় এখনও পর্যন্ত শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি-র খবর অনুযায়ী, মূলত শিমোন পেরেজ নেগেভ নিউক্লিয়ার রিসার্চ সেন্টার বা ডিমোনা পরমাণুকেন্দ্রই ছিল ইরানের প্রধান লক্ষ্য। শক্তিশালী ওয়ারহেডবাহী (Warhead) দুটি মিসাইল সরাসরি জনবসতি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এতে বহুতল আবাসনগুলি কার্যত ধ্বংসস্তূপে (Debris) পরিণত হয়েছে। ইজরায়েলের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) সক্রিয় হলেও, এই ঘাতক মিসাইলগুলিকে আটকাতে ব্যর্থ (Failure) হয়। ‘আয়রন ডোম’ ভেদ করে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ায় প্রশ্ন উঠছে ইজরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ে।
ইজরায়েলের জাতীয় জরুরি পরিষেবা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যার মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক (Critical)। তবে স্বস্তির খবর এই যে, পরমাণু কেন্দ্রের অদূরে হামলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো তেজস্ক্রিয় বিকিরণ (Radioactive Radiation) ছড়ানোর খবর মেলেনি। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সের (IDF) মুখপাত্র জানিয়েছেন, কেন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই মিসাইল ধ্বংস করতে পারল না, তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত (Investigation) শুরু হয়েছে। নাতানজে ইজরায়েলি হামলার বদলা নিয়ে ইরান বুঝিয়ে দিল, তারা দমে যাওয়ার পাত্র নয়।


