দেশের খবর
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট! সই করলেন ১৩০ লোকসভা সাংসদ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট (Impeachment) প্রস্তাব আনার প্রক্রিয়ায় বড়সড় সাফল্য পেল তৃণমূল কংগ্রেস। সংসদীয় সূত্র অনুযায়ী, লোকসভায় (Lok Sabha) এই নোটিস পেশ করার জন্য ন্যূনতম ১০০ জন সাংসদের সমর্থনের প্রয়োজন হলেও, ইতিমধ্যেই ১৩০ জন সাংসদ এতে স্বাক্ষর করেছেন। তৃণমূলের এই উদ্যোগে শামিল হয়েছে কংগ্রেসসহ ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের শরিক দলগুলিও।
তৃণমূলের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করেছেন এবং নিজের সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এছাড়াও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর ‘দুর্ব্যবহার’কে হাতিয়ার করেছে জোড়াফুল শিবির। লোকসভায় সাংসদদের সই সংগ্রহের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তৃণমূলের ডেপুটি লিডার (Deputy Leader) শতাব্দী রায়। সই করেছেন কেসি বেণুগোপাল ও গৌরব গগৈ-এর মতো শীর্ষ নেতারা। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাহুল গান্ধী কৌশলগত কারণে এখনও এতে সই করেননি।
অন্যদিকে, রাজ্যসভাতেও (Rajya Sabha) প্রস্তাব পেশের জন্য প্রয়োজনীয় ৫০টি স্বাক্ষরের বদলে ৬০ জন সাংসদ সই করেছেন। সেখানে তদারকি করছেন সাংসদ নাদিমূল হক। এই প্রস্তাব পাশ করাতে গেলে সংসদের দুই কক্ষেই বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Special Majority) বা দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। ১৯৬৮ সালের জাজেস এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (Judges Enquiry Act) মেনে দুই কক্ষেই প্রস্তাব গৃহীত হলে স্পিকার ও চেয়ারম্যান যৌথভাবে তদন্ত কমিটি (Investigation Committee) গঠন করবেন। যদিও এই প্রক্রিয়া যথেষ্ট দীর্ঘ, তবুও প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের ওপর রাজনৈতিক চাপ (Political Pressure) বাড়াতে সক্ষম হয়েছে বিরোধী শিবির।


