বাবরি মসজিদ বিতর্কে অভিষেক বনাম হুমায়ুন, তুঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাত
Connect with us

রাজ্যের খবর

বাবরি মসজিদ বিতর্কে অভিষেক বনাম হুমায়ুন, তুঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মসজিদ–মন্দির নির্মাণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে ফের উত্তাল বাংলা রাজনীতি। বাবরি মসজিদ (Babri Mosque) নির্মাণ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের পাল্টা কড়া জবাব দিলেন সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তাঁর স্পষ্ট দাবি—মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগে রাজনীতি ছাড়ুন, তবেই তিনিও রাজনীতি ছাড়বেন।

শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বলেন, মন্দির বা মসজিদ নির্মাণ (Religious Construction) কোনও রাজনীতিবিদের দায়িত্ব নয়। জনপ্রতিনিধিদের মূল কাজ মানুষের পরিষেবা (Public Service)। কেউ যদি ধর্মীয় স্থাপনা গড়তে চান, তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা উচিত, রাজনীতিতে থেকে নয়—এই বার্তাই দেন তিনি।

এই মন্তব্যের পরই ফেসবুকে (Facebook) একটি ভিডিও পোস্ট করে হুমায়ুন কবীর পাল্টা তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে পরামর্শ দিয়েছেন, আমি তা মানতে রাজি। কিন্তু তার আগে তিনি তাঁর পিসি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনীতি ছাড়তে বলুন।” হুমায়ুনের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে (2026 Assembly Election) প্রার্থী না হন এবং দিঘার (Digha) জগন্নাথ ধামে (Jagannath Dham) গিয়ে ধর্মকর্ম করেন।

Advertisement
ads

হুমায়ুন আরও বলেন, “যদি মুখ্যমন্ত্রী তা করেন, তাহলে আমি বাবরি মসজিদ নিয়েই থাকব এবং দলের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে দেব।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় (Public Tax Money) একের পর এক মন্দির তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন—সরকারি অর্থে মন্দির হলে দোষ নেই, আর মুসলিম সমাজের দানে মসজিদ হলে কেন আপত্তি?

এখানেই থামেননি হুমায়ুন। অভিষেককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন, “সাহস থাকলে ২০২৬-এ মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ুন। তখন বোঝা যাবে মানুষের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কতটা।”

এদিকে অভিষেক জানান, আগামী ৩১ ডিসেম্বর তিনি দিল্লি (Delhi) গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ভোটার তালিকা সংশোধন (Voter List Revision) নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে টার্গেট করার অভিযোগও তোলেন তিনি।

সব মিলিয়ে মসজিদ–মন্দির বিতর্কে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, যা আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে (State Politics) বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement