সুদানে রাষ্ট্রসংঘের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
Connect with us

হামলা

সুদানে রাষ্ট্রসংঘের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: সুদানে (Sudan) রাষ্ট্রসংঘের (UN) শান্তিরক্ষী ঘাঁটিতে (peacekeeping base) শনিবার ড্রোন হামলা (drone attack) চালানো হয়েছে, যেখানে ৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী (Bangladeshi peacekeepers) নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি আরও ৮ জন আহত (injured) হয়েছেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (Bangladesh Army) মৃতদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কর্পোরাল (Corporal) মহম্মদ মাসুদ রানা, সৈনিক (soldier) মহম্মদ মমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা, শান্ত মণ্ডল, মেস ওয়েটার (mess waiter) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং কর্মচারী (staff) মহম্মদ সবুজ মিয়া।

প্রাথমিক তদন্তে হামলার নেপথ্যে রয়েছে সুদানের আধাসামরিক বাহিনী (paramilitary force) ‘র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স’ (RSF)। হামলা শনিবার দুপুর ৩:৪০ নাগাদ ঘটে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব (UN Secretary-General) আন্তোনিয়ো গুতেরেস (Antonio Guterres) এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা (condemnation) জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “সুদানের কাদুগলি (Kadugli)-তে শান্তিরক্ষী বাহিনীর লজিস্টিক (logistic) ঘাঁটিতে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের (international law) লঙ্ঘন, যা যুদ্ধাপরাধ (war crime) হিসেবে গণ্য হতে পারে। দোষীদের শাস্তি (punishment) হবেই।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সাল থেকে সুদান (Sudan) গৃহযুদ্ধে (civil war) উত্তপ্ত। ক্ষমতার লড়াইয়ে দেশটির দুই জেনারেল (general), আবদেল আল ফতা আল বুরহান ও মহম্মদ হামদান দাগালো, একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছেন। দারফুর (Darfur) প্রদেশ ও খারতুম (Khartoum) শহরে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু (deaths) রেকর্ড করা হয়েছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads