ভাইরাল খবর
ইমরান খানের মৃত্যুর জল্পায় আগুন, প্রমাণ চাইলেন ছেলে কাশিম—উত্তপ্ত পাকিস্তান
ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) ঘিরে রহস্য আরও গভীর হচ্ছে। আদিয়ালা জেলে (Adiala Jail) তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে আফগান একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করার পর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে। এসবের মাঝে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন তাঁর ছেলে কাশিম খান (Qasim Khan)। এক্স (X) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি স্পষ্ট জানান—বাবা আদৌ জীবিত কিনা, তার সরকারি প্রমাণ তিনি চান।
কাশিমের অভিযোগ, ৮৪৫ দিন ধরে ইমরান খান বন্দি, এবং গত দেড় মাস ধরে তাঁকে কালকুঠুরিতে বা ডেথ সেলে (Death Cell) একেবারে আলাদা করে রাখা হয়েছে। পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি নেই। তিনি লেখেন, “ছয় সপ্তাহ ধরে বাবা ডেথ সেলে আছেন। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁর বোনদেরও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনও ফোন নেই, সাক্ষাৎ নেই—আমরা কেউই জানতে পারছি না বাবা কেমন আছেন।”
তাঁর দাবি, ইমরান খানের সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখা কোনও নিরাপত্তা প্রোটোকল (Security Protocol) নয়, বরং তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর গোপন করার কৌশল। তিনি আরও বলেন, “আমার বাবার নিরাপত্তার জন্য পাকিস্তান সরকার ও কারা কর্তৃপক্ষকেই দায় নিতে হবে।”
میرے والد کو گرفتار ہوئے 845 دن ہو چکے ہیں۔ پچھلے چھ ہفتوں سے انہیں مکمل بے خبری کے ماحول میں ڈیتھ سیل میں تنہا رکھا گیا ہے۔ ان کی بہنوں کو ہر ملاقات سے روک دیا گیا ہے حالانکہ عدالت کے واضح احکامات موجود ہیں۔ کوئی فون کال نہیں، کوئی ملاقات نہیں اور زندگی کی کوئی خبر نہیں۔ میں اور… pic.twitter.com/c0dhujWiSO
— Kasim Khan (@Kasim_Khan_1999) November 27, 2025
কাশিম আন্তর্জাতিক মহলের কাছেও হস্তক্ষেপের আবেদন করেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলিকে (Human Rights Organisations) আহ্বান জানান ইমরানের অবস্থার সত্যতা যাচাই করতে এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি নিশ্চিত করতে।
ইমরানের বোন আলিমা খানুম (Aleema Khanum) অভিযোগ করেন, মাসের পর মাস দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কখনও অনুমতি, কখনও নিষেধ—এভাবে তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
এদিকে ইমরানের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাকিস্তান। আদিয়ালা জেলের সামনে পিটিআই (PTI) কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে জেল কর্তৃপক্ষের দাবি—ইমরান খান সম্পূর্ণ সুস্থ, মৃত্যুর খবর ভিত্তিহীন।
