অফবিট
মাটিতে বসে ছেঁড়া কাগজে খাচ্ছে স্কুলছাত্র, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতেই প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে
ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের বহু অংশে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে যাওয়ার প্রধান আকর্ষণ হলো দুপুরের খাবার (Mid-day Meal)। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) শেওপুর জেলার (Sheopur district) একটি সরকারি স্কুলের ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (viral) হয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, শিশুরা (children) স্কুলের খোলা প্রাঙ্গণে (open ground) মাটিতে বসে খাচ্ছে এবং তাদের সামনে কোনও প্লেট নেই, বরং খাবার ছেঁড়া কাগজ (scrap paper) এর ওপর পরিবেশন করা হয়েছে।
ঘটনায় প্রশাসনও দ্রুত সক্রিয় হয়েছে। জেলা কালেক্টর অর্পিত বর্মা (District Collector Arpit Verma) তদন্তের নির্দেশ দেন। সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (Sub-Divisional Magistrate) ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তদন্তের পর স্কুলটির মিড-ডে মিলের (mid-day meal) দায়িত্বে থাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (self-help group) চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি স্কুল প্রধানের (Headmaster) বিরুদ্ধেও শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে।
श्योपुर की तस्वीर है, मिड-डे मील रद्दी अखबार में परोसा जा रहा है
मिड-डे मील अब प्रधानमंत्री पोषण शक्ति निर्माण टाइप कुछ हो गया है 2023 बीजेपी ने घोषणापत्र में इसमें पौष्टिक भोजन देने की बात कही थी, पौष्टिक तो दिख रहा है फिलहाल परोसा कैसे जाए ये तय हो जाता @GargiRawat @manishndtv pic.twitter.com/ecrHIeLgu5— Anurag Dwary (@Anurag_Dwary) November 6, 2025
ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি নির্মাণ (PM Poshan) প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফাঁকফোকরকে সামনে এনে দিয়েছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষার্থীদের (students) পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার (nutritious meals) সরবরাহ করা। তবে শেওপুরের এই ভিডিও সেই লক্ষ্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর রাজ্যের ৮৮,২৯৯টি স্কুলের মধ্যে ৮৭,৫৬৭টিতে মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ অন্তত ৭৩২টি স্কুলে সেদিন কোনো খাবার পৌঁছায়নি। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তাহারে রাজ্যের সরকার মিড-ডে মিলের মান উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তেমনকি পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় টেট্রা-প্যাক দুধ (Tetra Pack Milk) ও অন্যান্য পুষ্টিসমৃদ্ধ (nutritious) খাদ্য অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা করেছিল।
তবে শেওপুরের এই ঘটনা দেখিয়ে দিল, বাস্তব বাস্তবায়নের (implementation) সঙ্গে প্রকল্পের উদ্যোগের মধ্যে বড় ফারাক আছে।
