আত্মহত্যা
২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্যেও কেন আত্মঘাতী হলেন প্রদীপ কর? ভোটার তালিকা প্রকাশ BJP-র
ডিজিটাল ডেস্কঃ আগরপাড়া (Agarpara)-র ৭৫ বছর বয়সী (year-old) প্রদীপ করের (Pradip Kar) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার (found) পর রাজ্য রাজনীতি (state politics)-তে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী দেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট (suicide note) উদ্ধার হয়, যেখানে লেখা ছিল, “আমার মৃত্যুর জন্য NRC দায়ী।”
এই ঘটনার পর বিজেপি (BJP)-র পক্ষ থেকে চাঞ্চল্যকর (sensational) দাবি উত্থাপিত হয়েছে। বিজেপি জানাচ্ছে, প্রদীপ করের (Pradip Kar) নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় (voter list) রয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিয়ম অনুযায়ী নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কোনও কারণ ছিল না।
পানিহাটি (Panihati)-র বিজেপি নেতা চণ্ডীচরণ রায় (Chandicharan Roy) বলেন, “তৃণমূল (TMC) সরকার আগেও এভাবে অপপ্রচার (propaganda) চালিয়েছে। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার জন্য তারা এমন প্রচেষ্টা চালায়। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকার পরও কিছু হয়নি। প্রদীপ কিছুটা মানসিক অবসাদ (mental depression)-এ ভুগছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সমস্যা হচ্ছিল বলে শুনেছি।”
প্রদীপ করের হাতের লেখা (handwriting) নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রদীপ করের ডান হাতের চারটি আঙুল (fingers) নেই ; দুর্ঘটনার (accident) কারণে আঙুল কাটা গিয়েছিল, পরিবার সূত্রে জানা গেছে। তাঁর ভগ্নিপতি (brother-in-law) জানান, ২০২৪ সালের (year) লোকসভা (Lok Sabha) নির্বাচনে ভোটও দিয়েছেন প্রদীপ। সেই কারণে বিজেপি দাবি করছে, উদ্ধার হওয়া নোটের হাতের লেখা যাচাই করা উচিত। এছাড়া, একটি আদালতের (court) প্রাক্তন বিচারপতির (former judge) নেতৃত্বে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে তৃণমূল সভাপতি (TMC president) বলেন, “BJP কি ওনার (his) মনের ভিতর জানে? বাড়িতে গিয়ে ভোটার তালিকা দেখিয়েছে? বিজেপির কাছে থাকতে পারে, কিন্তু কত মানুষ জানে, কীভাবে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা বের করা যায়! বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন মিলে মানুষের মধ্যে ত্রাস (fear) সৃষ্টি করছে।”


