প্রাপ্তবয়স্ক নয়, তাই থাকতে হবে আলাদা—পুলিশের কথার পরই আত্মঘাতী কিশোর-কিশোরী
Connect with us

আত্মহত্যা

প্রাপ্তবয়স্ক নয়, তাই থাকতে হবে আলাদা—পুলিশের কথার পরই আত্মঘাতী কিশোর-কিশোরী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাল্যবিবাহের (Child Marriage) আইনি জটিলতার (legal complications) ফলে প্রথমে কিশোর, পরে তার শোকে কিশোরী ‘আত্মঘাতী’ (Suicide) হল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে (Berhampore)। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকস্তব্ধ (grief-stricken) দুই পরিবার এবং গোটা এলাকা। পুলিশের (Police) প্রাথমিক অনুমান, এক সঙ্গে থাকতে না পারার অবসাদেই (depression) এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই যুগল (couple)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বহরমপুরের বাগমারা এলাকার এক কিশোর প্রায় চার মাস আগে রানিনগর এলাকার এক কিশোরীকে বিয়ে (marriage) করেছিল। সম্প্রতি এই খবর পৌঁছায় জেলা শিশু সুরক্ষা দপ্তরের (District Child Protection Unit) কাছে। এর পরই দপ্তরের পক্ষ থেকে কিশোর এবং তার পরিবারের (family) সদস্যদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ (interrogation) করা হয়। বোঝানো হয় যে প্রাপ্তবয়স্ক (adult) না হলে বিয়ে করা আইনত বেআইনি (illegal)। পুলিশের দাবি, এর পরই কিশোরের পরিবারকে এই পরামর্শ দেওয়া হয় যে, বিয়ের আইনি বয়স (legal age) না হওয়া পর্যন্ত কিশোর-কিশোরীকে আলাদা থাকতে হবে (must stay separate)। তবে আশ্চর্যের বিষয়, কিশোরীর পরিবারকে ডাকা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

এই পরামর্শ পাওয়ার পরই গত ২৩ তারিখ গলায় দড়ি দিয়ে ‘আত্মঘাতী’ (Suicide) হয় ওই কিশোর। এরপর সেই শোকে বৃহস্পতিবার রাতে বিষ (poison) খায় কিশোরী। তাকে আশঙ্কাজনক (critical) অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (hospital) ভর্তি (admitted) করা হলেও শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন (under treatment) অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Advertisement
ads

এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। দুই পরিবারের (families) সদস্যরাও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন। কিশোর-কিশোরী কেন আত্মহত্যা (Suicide) করল, তার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত (investigation) শুরু করেছে পুলিশ।