‘বাংলায় চাকরি মিলবে না’, এসএসসি পরেও হতাশ প্রার্থীরা, বললেন দিলীপ ঘোষ
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘বাংলায় চাকরি মিলবে না’, এসএসসি পরেও হতাশ প্রার্থীরা, বললেন দিলীপ ঘোষ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নয় বছর পর অবশেষে রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজ্যের বহু প্রতীক্ষিত এসএসসি নিয়োগ পরীক্ষা (SSC Recruitment Exam)। গতকাল, রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর), নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের এই পরীক্ষার প্রথম দফা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে, ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা।

তবে এত কিছুর পরেও রাজ্য সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না বহু চাকরিপ্রার্থী (Job Aspirants)। তাঁদের সুরেই সুর মিলিয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) জানান, “এই সরকার পরীক্ষা নেয় না। আর যদি নেয়ও, রেজাল্ট (Result) হয় না। পাশ (Pass) করলেও চাকরি (Job) হয় না। বরং ধর্নায় (Protest) বসতে হয়। সেই তো আবার ধর্নাই দিতে হবে।”

দিলীপবাবুর মতে, রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতি এখন আর জনগণের আস্থা নেই। তিনি আরও বলেন, “চাকরি পেলেও ডিএ (Dearness Allowance) পাবে না।”

উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র সহজ এবং মানানসই ছিল বলে জানিয়েছে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী। প্রশ্নপত্রের কপি (Question Paper Copy) বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সুযোগ এবং ওএমআর শিটের কার্বন কপি (OMR Sheet Carbon Copy) পাওয়ায় স্বচ্ছতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement
ads

তবুও নিয়োগপ্রার্থীদের একাংশের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে— “চাকরিটা ফেরত পাব তো?” বিশেষ করে যারা আগে পরীক্ষায় সফল হয়েও নিয়োগ পাননি, তাঁদের উদ্বেগ আরও তীব্র।

আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে— বাংলায় হিন্দি বা ইংরেজি না বলতে পারার কারণে (Language Barrier) বহু প্রার্থী চাকরি হারাচ্ছেন, যেখানে অন্য রাজ্য থেকে আগত হিন্দিভাষী পরীক্ষার্থীরা রাজ্যে এসে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলা মাধ্যমে (Bengali Medium) চাকরি কোথায়? এখন তো পাড়ায় পাড়ায় ইংরেজি মাধ্যম (English Medium) স্কুল। সবাই বুঝে গেছে, বাংলায় পড়ে বাংলায় চাকরি মিলবে না।”

Advertisement
ads

উত্তরবঙ্গে এক বছরে তিনবার মুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়েও কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, “তৃণমূল দলে আর নেতা নেই। তাই সব কিছু মুখ্যমন্ত্রীকেই করতে হচ্ছে। প্রশাসন চালিয়ে ভোট পাওয়া যাবে না বুঝেই এখন নানা রকম বোঝাপড়ার চেষ্টা চলছে। নতুন মুখ আনতে প্রলোভন ও ভয়— দুই পথেই হাঁটছে শাসকদল।”