ভাইরাল খবর
তৃণমূলের নতুন দলনেতা অভিষেক, কেন্দ্রকে ঘিরে বাংলা-বাঙালি-এসআইএআর প্রশ্নে আক্রমণাত্মক কৌশল
ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় দায়িত্ব পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, অসুস্থ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তে আপাতত লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতার ভূমিকায় থাকবেন অভিষেক। সোমবার দুপুরে সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে এই ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, অভিষেকের সঙ্গে সহযোগিতায় কাজ করবেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে চিফ হুইপ পদে থাকবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়— এমনই জানিয়েছিলেন মমতা।
তবে ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, চিফ হুইপ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর পদত্যাগের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদ অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। সূত্রের খবর, বৈঠকে মমতা লোকসভায় দলের কার্যকলাপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
আরও পড়ুনঃ সুর আর অভিনয়ের অমর সম্রাট কিশোর কুমারের ৯৬তম জন্মবার্ষিকী
অভিষেকের নতুন দায়িত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “অভিষেক দক্ষ সাংসদ, আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সংসদের ভিতরে-বাইরে তাঁর পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে তিনি দুরন্ত বক্তা এবং দক্ষ সংগঠক। হিন্দি, বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীল বক্তব্য রাখেন। ‘Pahalgam team’-এর সবচেয়ে সফল সংসদ তিনি।” কুণাল ঘোষ আরও বলেন, “দিদির এই সিদ্ধান্ত যথাযথ ও সময়োপযোগী। এটি বিজেপির জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।”
রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, লোকসভায় অভিষেকের নেতৃত্ব তৃণমূলের কৌশল ও আক্রমণাত্মক অবস্থানকে আরও জোরদার করবে, যা ২০২৬-এর আগে দলের জন্য বড় সুবিধা এনে দিতে পারে।
