অপমানে মৃত্যু! শ্লীলতাহানির অভিযোগে মারধরের পর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা নবম শ্রেণির ছাত্রের
Connect with us

আত্মহত্যা

অপমানে মৃত্যু! শ্লীলতাহানির অভিযোগে মারধরের পর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা নবম শ্রেণির ছাত্রের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির পিছাবনী এলাকায় এক স্কুলছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্লীলতাহানির অভিযোগের জেরে মাঝরাস্তায় হেনস্তার শিকার হওয়ার পরদিনই নবম শ্রেণির ওই ছাত্রের (Student) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তার বাড়ি থেকে।

বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের মতো স্কুলে গিয়েছিল ওই ছাত্র। অভিযোগ, স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর উদ্দেশ্যে সে ‘অশালীন মন্তব্য’ করে। যদিও তার দাবি ছিল, “আমি ওই মেয়েটিকে চিনি না, কিছুই বলিনি।” স্কুল শেষে এক বন্ধুর বাড়িতে বই আনতে যাওয়ার সময় পিছাবনী বাজারে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটকে মারধর করে এবং জনসমক্ষে অপমান করে, এমনটাই অভিযোগ তার পরিবারের।

পরদিন, শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়ির দোতলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত ছাত্রের ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট (Suicide Note) উদ্ধার হয়েছে, যেখানে লেখা, “বাবা আমি কিছু করিনি, ওই মেয়েকে আমি চিনি না। তোমার অপমান সহ্য করতে পারছি না।”

আরও পড়ুনঃ ভাষা আন্দোলনের আগে বড় সিদ্ধান্ত, কলকাতা পুরসভায় বাধ্যতামূলক বাংলা ভাষা

Advertisement
ads ads

ছাত্রের বাবা (Father) বলেন, “ঘটনাস্থলে আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম। আমার ছেলেকে প্রকাশ্যে অপমান করা হয়েছে। সে নির্দোষ ছিল।”
অন্যদিকে, অভিযোগকারী ছাত্রীর বাবার দাবি, “আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। কে বা কারা ওই ছেলেকে ঘিরে ধরেছিল, জানি না।”

এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে কাঁথি থানার পুলিশ। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (Unnatural Death Case) রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, শুধুমাত্র সন্দেহের বশে এক কিশোরের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার দায় কার?

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads