ত্রাণ নয়, প্রচার! গ্রেটা-দের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নেতানিয়াহু সরকারের
Connect with us

বিশ্বের খবর

ত্রাণ নয়, প্রচার! গ্রেটা-দের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নেতানিয়াহু সরকারের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজার পথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন পরিবেশ আন্দোলনের আন্তর্জাতিক মুখ গ্রেটা থুনবার্গ (Greta Thunberg) ও তাঁর সহযাত্রীরা। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই আন্তর্জাতিক জলসীমায় তাঁদের নৌকা ‘মাডলিন’ (Madeline)-কে থামিয়ে দেয় ইজরায়েলি বাহিনী। শুধু তাই নয়, নৌকায় থাকা মানবাধিকার কর্মীদের আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অভিযানে অংশ নেওয়া ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান (Rima Hassan)

জানা গিয়েছে, ইটালির ক্যাটালিনা বন্দর থেকে ৬ জুন রওনা দেয় ‘মাডলিন’ নামের নৌকাটি, যেখানে ছিলেন থুনবার্গ ছাড়াও আইরিশ অভিনেতা লিয়াম কানিংহ্যাম (Liam Cunningham) এবং আরও একাধিক মানবাধিকারকর্মী। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল গাজার অনাহারে ভোগা মানুষদের জন্য জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া। নৌকায় থাকা ত্রাণের মধ্যে ছিল খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও প্রাথমিক চিকিৎসার সামগ্রী। গ্রেটা এক বিবৃতিতে বলেন, “বিশ্ব আজ এক ভয়ঙ্কর নিষ্ক্রিয়তায় নিমজ্জিত। প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ অনাহারে রয়েছে, অথচ বিশ্ব চুপ করে আছে। আমরা চুপ থাকতে পারি না।”

তবে অভিযানের পথে রোববার (স্থানীয় সময়) রাত দু’টো নাগাদ নৌকাটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঢোকার পরই ইজরায়েলি সেনা হস্তক্ষেপ করে। এরপর নৌকাটি আটক করা হয় এবং আরোহীদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে রিমা জানিয়েছেন।

এই অভিযানের কড়া সমালোচনা করেছে ইজরায়েলের বিদেশ মন্ত্রক (Israel Foreign Ministry)। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, “এটি নিছকই প্রচারমূলক কাজ। ত্রাণের নামে তারা সেলফি তুলতে এসেছেন। যেটুকু ত্রাণ ছিল, সেটাও নাকি নিজেরাই খেয়ে ফেলেছেন।”

Advertisement
ads

আরও পড়ুনঃ মাওবাদীদের আইইডি বিস্ফোরণে শহিদ এএসপি, গুরুতর জখম একাধিক পুলিশকর্মী

উল্লেখ্য, গত আড়াই মাস ধরে স্থলপথে ত্রাণ পাঠানো বন্ধ রেখেছিল ইজরায়েল। তবে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে দিনকয়েক আগে তারা সীমিত পরিমাণে ত্রাণ ঢোকার অনুমতি দেয় গাজায়। ইজরায়েলের দাবি, গত দুই সপ্তাহে ১২০০টি ট্রাকবোঝাই ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এই সাহায্য অপ্রতুল এবং অবিলম্বে পূর্ণমাত্রায় ত্রাণ পৌঁছানো না হলে গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে।

নৌকায় থাকা সমাজকর্মীদের বর্তমান অবস্থান নিয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, তাও স্পষ্ট নয়। এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনার নিন্দা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন, মানবতার বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে ত্রাণ পৌঁছানোকে রুখে দেওয়াই হল আসল অপরাধ।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement