রাজ্যের খবর
শারীরিক পরীক্ষার নামে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা! গোপনাঙ্গে অশ্লীল স্পর্শ অভিযোগ
ডায়মন্ড হারবারের পর এবার নাম উঠে এল হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালের। ফের নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো রাজ্যে। এবার হাসপাতালের এক কর্মীর বিরুদ্ধে উঠে এল অভিযোগ। শারীরিক পরীক্ষার নাম করে গোপনাঙ্গে অশ্লীল স্পর্শের চেষ্টার অভিযোগ। ঠিক কি ঘটেছে?
অশ্লীলতার ঘটনা জানাজানি হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ হাসপাতালের কর্মীর বিরুদ্ধে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বমি ও জ্বর নিয়ে মেক সঙ্গে নিয়ে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি হন নাবালিকা। এদিকে মেয়ের খেয়াল রাখতে রাখতে অনুষ্ঠ বোধ করেন নাবালিকার মাও। জানা যাচ্ছে, ঘুমের ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল তাকে।
এদিকে সুযোগ বুঝে শুক্রবার সকালে নাবালিকাকে শারীরিক পরীক্ষার নামে ডাকে হাসপাতালের এক অস্থায়ী কর্মী। অভিযুক্তের নাম শেখ রিয়াজ। অভিযোগ নাবালিকাকে শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পোশাক খুলতে বলা হয় নাবালিকাকে। শুধু তাই নয়, গোপনাঙ্গে অশ্লীলভাবে স্পর্শ করা হয় বলেও অভিযোগ। সেই সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নাবালিকা।
তৎক্ষণাৎ চিৎকার শুরু দেয় নাবালিকা। তারপর হাসপাতালের লোকজীবন জড়ো হয়ে পরে শৌচালয়ের সামনে। মুহূর্তে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পালিয়ে যাওয়ার সময় নাবালিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।
এরপর ঘটনা জানাজানি হতেই ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নাবালিকার বাবা। অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মী শেখ রিয়াজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মানুষ ভগবানের সমতুল্য মনে করেন ডাক্তারকে। এবার সেখানে চিকিৎসা করতে এসে হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে রোগীকে। প্রশ্ন উঠছে, হাসপাতালেও নেই নারীদের নিরাপত্তা!


