ক্যানসার আক্রান্ত সোমার মতোই মানবিক সুবিধা চায় চাকরিহারা দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা
Connect with us

ভাইরাল খবর

ক্যানসার আক্রান্ত সোমার মতোই মানবিক সুবিধা চায় চাকরিহারা দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে (Recruitment Corruption) স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) ২০১৬ সালের আস্ত প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিমকোর্ট (Supreme Court)। এর ফলে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী চাকরিহারা হয়েছেন। তবে মানবিক কারণ দেখিয়ে ক্যানসার আক্রান্ত সোমা দাসের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

তবে একই ধরনের মানবিক ছাড় কেন দৃষ্টিহীন ও বিশেষভাবে সক্ষম চাকরিহারা শিক্ষকরা (SSC Deprived Blind Teachers) পাচ্ছেন না, সেই প্রশ্ন তুলে পথে নামলেন তারা। অল বেঙ্গল ব্লাইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের (All Bengal Blind Teachers Association) সভাপতি তাপস রায় (Tapas Roy) জানিয়েছেন, “২০১৬ সালের বাতিল প্যানেলে ৭০ জনের বেশি দৃষ্টিহীন শিক্ষক যোগ্যতা সত্ত্বেও চাকরিহীন রয়েছেন। আমরা চাই, সোমার মতো আমাদের ক্ষেত্রেও সরকার মানবিকতা দেখাক।”

আরও পড়ুনঃ দলবদলের আগে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার, শংকর মালাকারকে সরাল প্রদেশ নেতৃত্ব

এই দাবি নিয়ে তাঁরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister), রাজ্যপাল (Governor), এসএসসি চেয়ারম্যান (SSC Chairman) এবং শিক্ষাসচিবকে (Education Secretary) চিঠি দিয়েছেন। তাঁরা জানান, “দৃষ্টিহীনরা সাধারণ পরীক্ষার্থীর মতো পরীক্ষা দিতে পারেন না। তাদের পরীক্ষায় একজন শ্রোতার প্রয়োজন হয়। তাই পুনরায় পরীক্ষায় বসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই চাকরিতে বহাল রাখার বিষয়ে মানবিক বিবেচনা প্রয়োজন।”

Advertisement
ads

সুপ্রিমকোর্ট গোটা প্যানেল বাতিলের পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্য ইতিমধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যেখানে বয়স ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত সুবিধার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁদের জন্য কোনও আলাদা সুবিধা ঘোষণা হয়নি।

চাকরিহারা দৃষ্টিহীন শিক্ষিকা অর্পণা মজুমদার (Arpana Majumdar) বলেন, “যোগ্যতার ভিত্তিতেই চাকরি পেয়েছিলাম, কিন্তু রাজ্যের ভুলে তা চলে গেল। নতুন করে তিন মাসের মধ্যে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা যদি রাইটার না পাই বা ফেল করি, তার দায় কে নেবে?”

আরেক দৃষ্টিহীন শিক্ষক সোমনাথ নিয়োগী (Somnath Niyogi) বলেন, “সরকার ও আদালত আমাদের বিষয়টি মানবিক দিক থেকে না দেখলে বুঝতে হবে, আমাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।”

তারা অভিযোগ করেছেন, বহুবার চিঠি দিয়েও রাজ্যের কোনো কর্ণপাত পাননি। তাই আজকের অবস্থান। তারা আবারও তাদের দাবি শিক্ষাসচিবকে জানাবেন। রাজ্যের কোনো পদক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলন করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement