রাজ্যের খবর
সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াই, সংহতি দিবসে মমতার ঐক্যের বার্তা
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে সাম্প্রদায়িক (Communal) উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে কিছু রাজনৈতিক (Political) শক্তি— এমনই অভিযোগ জানিয়ে আবারও সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংহতি দিবস উপলক্ষে X–এ দেওয়া বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। সঙ্গে দেন ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা।
মমতা লিখেছেন, “বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি— যা কখনও বিভেদের কাছে মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ— সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলাই বাংলার ঐতিহ্য। আনন্দ ভাগ করে নিই, কারণ আমরা বিশ্বাস করি— ধর্ম (Religion) যার যার, উৎসব (Festival) সবার।”
একতাই শক্তি
শুরুতেই আমি সকলকে ‘সংহতি দিবস’/ ‘সম্প্রীতি দিবস’ উপলক্ষে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথের মাটি, নজরুলের মাটি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি— এই মাটি কখনো মাথা নত করেনি বিভেদের কাছে, আগামীদিনেও করবে না।
হিন্দু,…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 6, 2025
তিনি আরও জানান, যারা সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালিয়ে দেশকে ধ্বংসের খেলার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে, তাদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াই (Fight) চলবে। পাশাপাশি শান্তি (Peace) ও সম্প্রীতি (Harmony) বজায় রাখার আহ্বান জানান সকলকে।
সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের পোস্টার শেয়ার করে একই বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ (Babri Masjid) ধ্বংসের পরবর্তী বছর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল প্রতি বছর সংহতি দিবস পালন করে আসছে। এবারের কর্মসূচির দায়িত্বে রয়েছে তৃণমূলের ছাত্র (Students) ও যুব (Youth) সংগঠন। শনিবার দুপুরের ওই সভায় থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু ও প্রতিনিধিরা।
সভা ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা ও হাওড়া থেকে ছাত্র-যুবদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় নিরাপত্তা (Security) পর্যালোচনায় বৈঠক করেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য।
আসন্ন বিধানসভা (Assembly Election) নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে অশান্তির পরিবেশ তৈরির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। ফলে সংহতি দিবসের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
