রাজনীতি
দলের নির্দেশ না মানায় শোকজ চেয়ারম্যান, বনগাঁয় তৃণমূলের কড়া বার্তা
ডিজিটাল ডেস্কঃ দলের নির্দেশ না মানায় বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠকে শোকজ করল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। রাজ্য নেতৃত্বের (State Leadership) নির্দেশ অমান্য করে পদ আঁকড়ে বসে থাকার অভিযোগে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা কমিটি (District Committee) তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে।
শনিবার তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের (Biswajit Das) পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে গোপাল শেঠকে প্রশ্ন করা হয়েছে, কেন তিনি দলের নির্দেশ অনুযায়ী পদত্যাগ (Resignation) করেননি। তাঁকে সাত দিনের সময়সীমা (Deadline) দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে — ১৫ নভেম্বরের (15 November) মধ্যে ইস্তফা না দিলে দলের পক্ষ থেকে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা (Organisational Action) নেওয়া হবে।
বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে গোপাল শেঠের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়। নাগরিক পরিষেবা (Civic Service) ঘাটতি, জলযন্ত্রণা (Water Crisis), রাস্তার দুরবস্থা (Poor Road Condition) এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে (Cleanliness Issue) বহুদিন ধরেই ক্ষোভ বাড়ছিল। এমনকি তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থার (Election Strategy Team) অভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও (Internal Survey) উঠে আসে পুরসভার ব্যর্থতার ছবি।
সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয়, পুরসভায় নেতৃত্বে বদল আনতে হবে। শুক্রবার গোপাল শেঠকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা মানেননি। এরপর শনিবার দুপুরে বনগাঁ জেলা কার্যালয়ে (District Office) আহ্বান করা হয় বিশেষ বৈঠক (Special Meeting)। উপস্থিত ১৯ জন কাউন্সিলরের (Councillors) মধ্যে ১৭ জনই চেয়ারম্যান বদলের পক্ষে মত দেন।
বৈঠক শেষে বিশ্বজিৎ দাস জানান, “রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই চেয়ারম্যানকে শোকজ করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে পদত্যাগ না করলে দল পরবর্তী পদক্ষেপ (Next Step) নেবে।”
অন্যদিকে, গোপাল শেঠ কোনও মন্তব্য করতে চাননি। রাজনৈতিক মহলে এখন জল্পনা— তিনি কি অনড় অবস্থান বজায় রাখবেন, নাকি শেষ মুহূর্তে সমঝোতার (Negotiation) পথে হাঁটবেন?
এদিনই বারাসত (Barasat) পুরসভায়ও নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়েছে। চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায়ের (Ashni Mukhopadhyay) ইস্তফার পর সুনীল মুখোপাধ্যায়কে (Sunil Mukhopadhyay) নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে।


