ভাইরাল খবর
নেকড়ের একতা ও ধৈর্য যা হার মানায় বর্তমান যুগের মানুষকেও
ডিজিটাল ডেস্ক : নেকড়ে প্রকৃতির এমন এক রহস্যময় শিকারী প্রাণী যে অন্য প্রাণীদের তুলনায় ভিন্ন।নেকরের কথা শুনলে আমাদের চোখের সামনে এক হিংস্র প্রাণীর চেহারা ফুটে ওঠে যার কবল থেকে বাঁচা প্রায় অসম্ভব।
বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিরা বন্য পশুদের পোষ্য বানিয়ে দেখেছেন তাদের বাড়িতে। যেমন বনের রাজা সিংহ, দুরন্ত চিতা আরো অনেক ভয়ংকর সব জীবজন্তুদের। তবে সেই তালিকায় কিন্তু নেকড়েরা একদমই আসে না।
নেকরেরা মানুষদের সাথে একত্র বসবাস না করলেও তারা প্রায় অনেকটাই মানুষের মতন সমাজবদ্ধ জীব। নেকড়ে রা একা নয় বরং দলবদ্ধ ভাবে জীবন যাপন করে। সাধারণত তারা পাঁচ থেকে দশ ও তারও বেশি সদস্যে বসবাস করে। যেমন মানুষের পরিবারে কোন একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দুজন স্বামী স্ত্রী মিলে একটি পরিবারকে পরিচালনা করে সেরকমই নেকড়েদের মধ্যে একজন বা জোড়া প্রধান থাকে। যারা বাকিদের পরিচালনা করে এবং বাকিরা ও তাদের অনুসরণ করে শক্তি ও নিরাপত্তার জন্য।
আরও পড়ুন – শারীরিক পরীক্ষার নামে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা! গোপনাঙ্গে অশ্লীল স্পর্শ অভিযোগ
নেকড়েরা সাধারণত আজীবন এক জীবন সঙ্গীর সঙ্গেই থাকে, যা তাদের পরিবারকে শক্তিশালী বন্ধনে বেঁধে রাখে। আলফা জোড়া বা পরিবারের স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে দল পরিচালনা করে। এবং তাদের বাচ্চাদের অত্যন্ত স্নেহের গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিপালন করে। ঘটনা বসত যদি কোন শিশু নেকড়ের মা বাবা না থাকে এবং এবং ওই শিশু নেকরের বড় কেউ না থাকে তখন সে ছোটদের দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এবং শিকার করে এনে তাদের প্রতিপালন করে।
আরও পড়ুন – রুদ্রমূর্তি সলমনের! প্রকাশ্যে সিকান্দারের অফিসিয়াল ট্রেইলার
শীতকালে নেকড়ে প্রজনন মৌসুম শুরু হয় এবং গর্ভধারণের পর মা নেকড়ে ৬৩ থেকে ৬৪ দিনের মাথায় বাচ্চার জন্ম দেয় জন্মের পর সদ্রজাতক শিশু নেকড়েরা অন্ধ এবং দুর্বল হয় যার কারণে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের লালন পালনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শিকারের সময় তাদের রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়। তারা দলবদ্ধ ভাবে স্বীকার করে, ধৈর্যের সঙ্গে। এবং তারা মানুষ স্বীকার করত পিছপা হয় না। তারা পরিবারের জন্য যতটা সদয় শিকারের সময় তার থেকেও বেশি নির্দয়।
