ভাইরাল খবর
SIR তালিকায় নাম নেই, শুনানিতে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবার
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (Special Intensive Revision – SIR) ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। খসড়া ভোটার তালিকায় (Draft Electoral Roll) নাম না থাকায় শুনানিতে ডাকা হয়েছে বারাসতের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের চার সদস্যকে। নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর দুই পুত্র, মা ও বোনের কাছে।
এসআইআর প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে করা হচ্ছে বলে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন—দু’বছরের কাজ কীভাবে মাত্র দু’মাসে শেষ করার চেষ্টা চলছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক অসঙ্গতি (Discrepancy) সামনে আসছে। ডানকুনির এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামের পাশে ‘মৃত’ (Dead) লেখা থাকার অভিযোগ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।
এই আবহে এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ায় সরব হয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর দাবি, “খসড়া তালিকা দেখতে গিয়ে দেখি আমার দুই ছেলের নাম নেই। তাঁরা সরকারি চাকুরে (Government Employee)। আমার মা ও বোন অন্য বুথের ভোটার, তাঁদের নামও বাদ পড়েছে। হিয়ারিংয়ে (Hearing) যাব, কিন্তু এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।”
কাকলির আরও অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ যাঁদের প্রশাসনিক যোগাযোগ (Administrative Access) কম, তাঁরা সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। যদিও সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলও (BLO) কপিল আনন্দ হালদারের দাবি, সাংসদের পরিবারের নাম খসড়া তালিকায় রয়েছে এবং অন্য কোনও সংশোধনের (Correction) কারণেই শুনানিতে ডাকা হতে পারে।
বিজেপির তরফে এই অভিযোগ উড়িয়ে কটাক্ষ করেন নেতা সজল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, “হেনস্থা হলে তো সাংসদকেই ডাকা হত। এত মানুষকে ডাকা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, শনিবার থেকেই এসআইআর শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁদের তথ্যের ‘ম্যাপিং’ (Mapping) হয়নি, তাঁদেরই প্রথম দফায় শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।


