প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আধ্যাত্মিক জাগরণ! শক্তিপীঠ সার্কিট গঠনে স্বপন দাশগুপ্তের মেগা পরিকল্পনা
Connect with us

ভাইরাল খবর

প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আধ্যাত্মিক জাগরণ! শক্তিপীঠ সার্কিট গঠনে স্বপন দাশগুপ্তের মেগা পরিকল্পনা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির মডেলকে অনুসরণ করে এবার পশ্চিমবঙ্গেও ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক পর্যটনের প্রসারে ব্যাপক জোর দিল নতুন সরকার। সোমবার বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ‘বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট’ এবং ‘শ্রীশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট’ গড়ে তোলার মতো একাধিক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। মূলত রাজ্যের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে (Culture) পুনরুদ্ধার করতে এবং পর্যটন ব্যবসাকে চাঙ্গা করতেই ডবল ইঞ্জিন সরকারের এই বিশেষ প্রয়াস।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গের প্রধান প্রধান শক্তিপীঠগুলিকে একটি ‘ক্লাস্টার্ড হাব অ্যান্ড স্পোক’ (Clustered Hub and Spoke) পদ্ধতির মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে। একটি প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই আধ্যাত্মিক সার্কিটের (Spiritual Circuit) মধ্যে তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, কঙ্কালীতলা, নন্দীকেশ্বরী, ফুল্লরা এবং উত্তরবঙ্গের ভ্রামরীদেবী মন্দিরকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর পাশাপাশি, বৈষ্ণব ধর্মের পীঠস্থান মায়াপুরকে একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র (Tourism Destination) হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী ৩ বছরে ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া পুরী এবং দেওঘরে বাংলার তীর্থযাত্রীদের সুলভে থাকার সুবন্দোবস্ত করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি (PPP) মডেলে বিশেষ আবাসন তৈরি করবে রাজ্য সরকার।

রাজ্যের সুপ্রাচীন মঠ, মন্দির এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি ‘হেরিটেজ কমিশন’ (Heritage Commission) পুনর্গঠন করার কথা জানানো হয়েছে এই বাজেটে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) জানান, মঠ-মন্দির সংরক্ষণ ও এই হেরিটেজ কমিশনের জন্য সরকার মোট ৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কালীঘাট, তারাপীঠ, জল্পেশ, কল্যাণেশ্বরী, কিরিটেশ্বরী এবং মদনমোহন মন্দিরের পাশাপাশি কলকাতার জোড়াসাঁকোর মতো ঐতিহ্যবাহী স্থানের পুনরুদ্ধার ও সংস্কার করা হবে এই প্রকল্পের অধীনে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের সরকার বাংলার সংস্কৃতির জাগরণ ঘটাবে। পশ্চিমবঙ্গকে শুধু সংস্কৃতির রাজধানী নয়, আধ্যাত্মিক রাজধানী (Spiritual Capital) হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”