পুলওয়ামা হামলার সাত বছর! ব্ল্যাক ডে-তে মোদি-মমতার আবেগঘন বার্তা
Connect with us

দেশের খবর

পুলওয়ামা হামলার সাত বছর! ব্ল্যাক ডে-তে মোদি-মমতার আবেগঘন বার্তা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি—ভারতের ইতিহাসে এক ‘কালো’ দিন (Black Day)। ২০১৯ সালের এই দিনেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলা (Pulwama Attack)-য় প্রাণ হারান ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF Jawans Death)। সাত বছর পরেও সেই স্মৃতি অমলিন। শনিবার গোটা দেশ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-এ পোস্ট করে লেখেন, “পুলওয়ামায় যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁদের সাহস (courage) ও কর্তব্যনিষ্ঠা (dedication) জাতির চেতনায় চিরস্থায়ী।”

Advertisement
ads

উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণন জানান, জওয়ানদের আত্মবলিদান শক্তিশালী ও নিরাপদ ভারত গড়ার প্রেরণা দেবে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “পুলওয়ামার বীর সিআরপিএফ জওয়ানদের আমি স্যালুট করি।”

Advertisement
ads

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে ঐক্য (unity) ও শান্তির (peace) বার্তা দেন।

২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে ৭৮টি গাড়ির কনভয় (convoy)-এ প্রায় আড়াই হাজার সিআরপিএফ কর্মী যাচ্ছিলেন। লেথপোরা এলাকায় বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ির ধাক্কায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ (blast) ঘটে। ঘটনাস্থলেই শহিদ হন ৪০ জন, আহত হন ৩৫ জনের বেশি। হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন Jaish-e-Mohammed; তদন্তে আত্মঘাতী জঙ্গি আদিল আহমেদ দারের নাম উঠে আসে।

এর পর ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বায়ুসেনার বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক (Balakot Airstrike) দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়ায়। পুলওয়ামার পর কাশ্মীরে নিরাপত্তা (security) জোরদার, গোয়েন্দা সমন্বয় বৃদ্ধি এবং আধুনিক সুরক্ষা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়। এ বছরও লেথপোরার সিআরপিএফ ক্যাম্পে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement