হামলা
এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’: পাকিস্তানী মিসাইল, ড্রোনগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার শক্তিশালী সেনা ব্যবস্থা
ডিজিটাল ডেস্কঃ উরি, বালাকোটের মতো অভিযানের পথ পেরিয়ে এবার সরাসরি যুদ্ধের সম্ভাবনার দিকেই এগোচ্ছে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব। বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের তরফে ভারতের অন্তত ১৫টি সীমান্তবর্তী শহরে মিসাইল ও ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়। ভারতীয় সেনা সূত্র জানাচ্ছে, এই চক্রান্তকে সম্পূর্ণ ব্যর্থ করে দিয়েছে দেশের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম—বিশেষত অত্যাধুনিক S-400 ‘সুদর্শন চক্র’ (Sudarshan Chakra)।
পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল জম্মু ও কাশ্মীর থেকে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট ও রাজস্থান—এই বিস্তীর্ণ এলাকা। হামলার টার্গেটে ছিল অবন্তীপুরা (Awantipora), শ্রীনগর (Srinagar), জম্মু (Jammu), পাঠানকোট (Pathankot), অমৃতসর (Amritsar), কপুরথলা (Kapurthala), জলন্ধর (Jalandhar), লুধিয়ানা (Ludhiana), আদমপুর (Adampur), চণ্ডীগড় (Chandigarh), ভাতিণ্ডা (Bathinda), নাল (Nal), ফালোড়ি (Phalodi), উত্তারলাই (Uttarlai) ও ভূজ (Bhuj)।
আরও পড়ুনঃ ফাইটার জেটে ঢুকে পলায়নের চেষ্টা, ভারতীয় সেনার হাতে পাক পাইলট আটক
কিন্তু পাকিস্তানের আগ্রাসনের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ভারতের ইউনিফায়েড এয়ার সার্ভেইলেন্স (UAS) গ্রিড ও ডিটেকশন সিস্টেম দ্রুত সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি মিসাইল ও ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করে দেয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এস-৪০০ (S-400) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে পাকিস্তানের সবকটি হামলা ব্যর্থ হয়। ভারতের আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ধ্বংস হয়ে যায় অধিকাংশ মিসাইল।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতীয় সেনা এই এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়া থেকে আমদানি করেছে। এই সিস্টেম পৃথিবীর অন্যতম সেরা লং রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। ‘সুদর্শন চক্র’ নামেই ভারতে পরিচিত এই প্রযুক্তি অন্তত ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু মিসাইল বা বিমান সনাক্ত করতে পারে এবং ৪০০ কিলোমিটার দূরে থেকেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
বর্তমানে এই সিস্টেম চারটি কৌশলগত স্থানে মোতায়েন রয়েছে—পাঠানকোট (Pathankot), রাজস্থান (Rajasthan), গুজরাট (Gujarat) ও জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir)। এর ফলে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় আকাশসীমা আরও সুরক্ষিত হয়েছে।
পাকিস্তানের এই আগ্রাসনকে ‘বিনা প্ররোচনার যুদ্ধোপক্রম’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে নয়াদিল্লি (New Delhi)। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রশাসনের মতে, আন্তর্জাতিক নীতিমালার নিরিখে এহেন হামলা কার্যত যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে। যার যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তরফে।
