‘ধাম’ নয়, প্রতারণা! দিঘার মন্দির প্রকল্পে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ শুভেন্দুর
Connect with us

সংস্কৃতি

‘ধাম’ নয়, প্রতারণা! দিঘার মন্দির প্রকল্পে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ শুভেন্দুর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিঘায় নবনির্মিত ‘জগন্নাথ ধাম’ (Jagannath Dham) ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হচ্ছে। রবিবার সকালে এক টুইট বার্তায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, এই প্রকল্প ধর্মীয় আবেগকে অপমান এবং ঐতিহ্যবাহী মন্দির সংস্কৃতিকে বিকৃত করার একটি প্রচেষ্টা।

শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ওড়িশা সরকারের মন্ত্রী প্রীতিরাজ হরিচন্দন (Pritiraj Harichandan) যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple, Puri) পবিত্রতা নিয়ে যেসব বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেগুলি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, “শ্রী জগন্নাথ সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষায় ওড়িশা সরকারের সক্রিয়তা প্রশংসনীয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ঐতিহ্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।”

আরও পড়ুনঃ পাক তরুণীর সঙ্গে গোপন বিবাহ, জাতীয় নিরাপত্তার শঙ্কায় বরখাস্ত সিআরপিএফ জওয়ান

বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘জগন্নাথ ধাম কালচারাল সেন্টার’ (Jagannath Dham Cultural Centre) প্রকল্পের সরকারি কাগজপত্রে যেটি কালচারাল সেন্টার হিসেবে উল্লেখ রয়েছে, বাস্তবে তা ‘মন্দির’ রূপে প্রচার করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, “ধাম” শব্দটি ভারতীয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বদ্রীনাথ, দ্বারকা, রামেশ্বরম ও পুরীর মতো ধর্মক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ‘চার ধাম’ ঐতিহ্যের সঙ্গেই এই শব্দটি যুক্ত। অথচ দিঘার প্রকল্পটি পুরীর ঐতিহ্যকে অনুকরণ করে তা বিকৃত করছে।

Advertisement
ads

শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, এই প্রকল্প বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ ভক্তের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাঁর বক্তব্য, “দিঘার ‘ধাম’ প্রকল্পটি আসলে পুরীর ধর্মীয় পরম্পরার একটা নকল সংস্করণ। এটি শুধু পবিত্রতা লঙ্ঘন নয়, বরং পুরীর সাংস্কৃতিক পরিচয়কেও অবমাননা করা।”

তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দ্বৈতাপতি নিযোগের সচিব রামকৃষ্ণ দাসমহাপাত্র (Ramkrishna Das Mahapatra) এবং রাধারমণ দাস ওরফে রাহুল যাদবের (Radharaman Das aka Rahul Yadav) ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শ্রী জগন্নাথ সংস্কৃতির অবমাননা এবং ভক্তদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। শুভেন্দুর দাবি, “এই দুই ব্যক্তির ভূমিকা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে। ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে যা হয়েছে, তা ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়।”

পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, “এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু মন্দির সংস্কৃতি নয়, আমাদের জাতিগত পরিচয়কেও কলঙ্কিত করছে। রাজ্য সরকারের এই ভণ্ডামি ও ষড়যন্ত্র জনসমক্ষে আসা উচিত।”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement