ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গ! পৃথক কামতাপুর রাজ্যের দাবিতে রেল রোকো আন্দোলন
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গ! পৃথক কামতাপুর রাজ্যের দাবিতে রেল রোকো আন্দোলন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট (Assembly Election 2026) যত এগোচ্ছে, ততই উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতি (Separatist Politics)। পৃথক কামতাপুর (Separate Kamtapur State) রাজ্যের দাবিতে এবার রেল রোকো (Rail Roko Protest) কর্মসূচির ডাক দিল কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কমিটি (Kamtapur State Demand Committee)। মঙ্গলবার সকাল থেকে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি এলাকায় রেললাইন অবরোধের চেষ্টা হয়।

পতাকা, ব্যানার ও স্লোগান (Slogan) হাতে নিয়ে বহু সমর্থক কর্মসূচিতে অংশ নেন। তবে আন্দোলন শুরু হতেই ময়নাগুড়ি থানা (Mainaguri Police Station) ও রেল পুলিশের (Railway Police) তৎপরতায় অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে রেল চলাচলে (Train Movement) বড়সড় কোনও বিঘ্ন ঘটেনি।

উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গে মাঝেমধ্যেই বৃহত্তর কোচবিহার (Greater Cooch Behar) ও কামতাপুর পৃথক রাজ্যের দাবিতে সরব হয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একাংশ। অজ্ঞাতবাসে থাকা কেএলও (KLO – Kamtapur Liberation Organisation) প্রধান জীবন সিংহ রাজনৈতিক বার্তার আড়ালে মাঝেমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে নির্বাচনের (Election Time) আগে এই ধরনের আন্দোলনের প্রবণতা বাড়ে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement
ads

বর্তমানে রাজ্যে চলছে এসআইআর (SIR – Special Intensive Revision)। মঙ্গলবারই প্রকাশ হচ্ছে খসড়া ভোটার তালিকা (Draft Voter List)। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই বিধানসভা ভোটের সূচি ঘোষণা হতে পারে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রেল রোকোর ডাক যে রাজনৈতিক কৌশলের (Political Strategy) অংশ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur) ও অসমের (Assam) তিন জায়গায় বিক্ষোভকারীরা আলাদা কামতাপুর রাজ্য, পৃথক ভাষার স্বীকৃতি (Language Recognition) এবং কেএলও প্রধান জীবন সিংহর সঙ্গে শান্তি আলোচনা (Peace Talk) শুরুর দাবি তোলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্রনাথ রায় জানান, সরকারের সঙ্গে দ্রুত শান্তি চুক্তি (Peace Agreement) করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। যদিও পুলিশের হস্তক্ষেপে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং রেল পরিষেবা স্বাভাবিক।

Continue Reading
Advertisement