‘কোননিচিওয়া’ বলে জাপানে মোদী, ভারত-জাপান ফোরামে বিনিয়োগ, কোয়াড ও বুলেট ট্রেন নিয়ে আলোচনায় জোর
Connect with us

দেশের খবর

‘কোননিচিওয়া’ বলে জাপানে মোদী, ভারত-জাপান ফোরামে বিনিয়োগ, কোয়াড ও বুলেট ট্রেন নিয়ে আলোচনায় জোর

Dipa Chakraborty

Published

on

‘নমস্তে, কোননিচিওয়া (Konnichiwa Japan)’— এভাবেই জাপান সফরের (Japan Visit) সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোননিচিওয়া শব্দের অর্থ শুভদিন, আর এই সম্ভাষণেই (Greeting) বক্তব্য শুরু করলেন তিনি ভারত-জাপান জয়েন্ট ইকোনমিক ফোরামে (Joint Economic Forum)।

আমেরিকার (USA) সঙ্গে ট্যারিফ যুদ্ধের (Tariff War) আবহে শুক্রবার জাপানে পৌঁছেছেন মোদী। সেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, “বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি (Third Largest Economy) হওয়ার পথে ভারত (India) দ্রুত এগোচ্ছে।” তাঁর বার্তা— “ভারতে আসুন। ভারতে তৈরি করুন। গোটা বিশ্বের জন্য তৈরি করুন।”

দু’দিনের এই সফরে (Tour) ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার (Shigeru Ishiba) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (Bilateral Meeting), ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলন (Annual Summit), বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্প ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব (Strategic Partnership) নিয়ে আলোচনা থাকবে।

Advertisement
ads

ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী জানান, “ভারতের উন্নয়নের যাত্রাপথে জাপান সবসময় এক গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। মেট্রো রেল (Metro Rail) থেকে সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors), উৎপাদন (Manufacturing) থেকে স্টার্টআপ (Startups)— সর্বত্রই জাপানের সহযোগিতা রয়েছে। বর্তমানে ভারতে জাপানের বিনিয়োগ (Investment) ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (40 Billion USD) বেশি।”

এই সফরে কোয়াড (QUAD) নিয়ে আলোচনারও সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত ও জাপান উভয়েই কোয়াডের সদস্য হওয়ায় কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আমেরিকার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

এছাড়া মোদীর কর্মসূচিতে রয়েছে জাপানের জেন বৌদ্ধ মন্দির (Zen Buddhist Temple) শোরিনজান-দারুমা-জি পরিদর্শন এবং জাপানের বিশিষ্ট শিল্পপতিদের (Business Leaders) সঙ্গে বৈঠক। আগামী ৩১ অগস্ট মোদী যোগ দেবেন চিনে (China) SCO সামিটে (SCO Summit), যেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও (Vladimir Putin) উপস্থিত থাকবেন।

জাপানে ভারতের রাষ্ট্রদূত সিবি জর্জ (Indian Ambassador C.B. George) সফরের আগে বলেন— “সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের এই সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং কোয়াড— সবকিছু নিয়েই গভীর আলোচনা হবে।”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement