কলকাতা
কলকাতায় সেনা সম্মেলনে মোদি, চিন-বাংলাদেশ সীমান্ত ইস্যুতে জরুরি পর্যালোচনা
ডিজিটাল ডেস্কঃ পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে (Eastern Frontier) অস্থির পরিস্থিতির মাঝে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে (Fort William), বিজয় দুর্গে শুরু হল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেনা সম্মেলন (Army Conference)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) নিজে উপস্থিত থেকে সোমবার সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন।
এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Defence Minister) রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল (Ajit Doval), প্রতিরক্ষা সচিব (Defence Secretary) রাজেশ কুমার সিং, এবং সেনা সর্বাধিনায়ক (Chief of Defence Staff) জেনারেল অনিল চৌহান-সহ বাহিনীর তিন শাখার প্রধানরা।
মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু — ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর রূপান্তর (transformation), আধুনিকীকরণ (modernization), এবং তিন ফ্রন্টে (three-front) যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি। চিনের (China) আক্রমণাত্মক নীতি, বাংলাদেশে (Bangladesh) চিনা বিমানঘাঁটির পরিকল্পনা এবং নেপালের (Nepal) রাজনৈতিক অস্থিরতা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বৈঠকে প্রাধান্য পেয়েছে।
সেনা আধুনিকীকরণ, পরিকাঠামোগত সরলীকরণ (infrastructural simplification) এবং যৌথ বাহিনীর (joint forces) ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
রবিবার অসম সফর শেষে কলকাতায় পৌঁছন মোদি। দমদম বিমানবন্দরে (Dum Dum Airport) তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এরপর বিশাল কনভয়ে (convoy) তিনি পৌঁছন রাজভবনে, যেখানে রাত কাটান। একই রাতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং অবস্থান করেন ফোর্ট উইলিয়ামে।
এবারের সম্মেলনে একটি বড় দিক — সেনাবাহিনীর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী সীমান্ত পরিস্থিতি এবং বাহিনীর প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র (Operation Sindhoore) সাম্প্রতিক সাফল্যের পর এই বৈঠক আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি, সুপারস্পাই (superspy) খ্যাত অজিত ডোভালের উপস্থিতিও এই সম্মেলনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।


